এডমিশন জার্নি থেকে জবিয়ান হওয়ার গল্প

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ১৩:০৩ | অনলাইন সংস্করণ

  সাদিয়া সুলতানা রিমি

ভর্তি যুদ্ধ শব্দ দুটি শুনলেই ভেসে ওঠে হাজারো স্বপ্ন, নির্ঘুম রাত, হতাশা, সংগ্রাম আর অদম্য পরিশ্রমের গল্প। উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে একজন শিক্ষার্থীর জীবনে শুরু হয় অনিশ্চয়তা ও প্রত্যাশার নতুন অধ্যায়, যার নাম “এডমিশন জার্নি”। এই পথচলায় কেউ হারিয়ে ফেলে আত্মবিশ্বাস, কেউ আবার শত বাধা পেরিয়ে খুঁজে পায় নিজের স্বপ্নের ঠিকানা। অসংখ্য প্রতিযোগীর ভিড়ে টিকে থাকার লড়াই, পরিবারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, মানসিক চাপ এবং এক টুকরো স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার অদম্য ইচ্ছাশক্তি সবকিছু মিলিয়েই তৈরি হয় একজন শিক্ষার্থীর জবিয়ান হয়ে ওঠার গল্প।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম নয়; এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, আবেগ, সংগ্রাম ও আত্মপরিচয়ের জায়গা। ছোট্ট ক্যাম্পাসের ভেতরে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সফলতার গল্প, যেখানে হতাশাকে পেছনে ফেলে নতুন আশার আলোয় পথচলা শুরু করে তরুণরা।  এমনই কিছু শিক্ষার্থীর বাস্তব অভিজ্ঞতা,  জীবনের সংগ্রাম, প্রত্যাশা ও অর্জন “এডমিশন জার্নি থেকে জবিয়ান হওয়ার গল্প” শিরোনামে তুলে ধরেছেন সাদিয়া সুলতানা রিমি

এডমিশন জার্নি নামটি শুনলেই অনেকের মনে ভয় কাজ করে। সত্যিই এই সময়টা একজন শিক্ষার্থীর জন্য কঠিন সংগ্রামের। আমার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম ছিল না। কলেজের কিছু পড়া বাকি থাকা, অনিয়ম এবং শারীরিক অসুস্থতা সবকিছু মিলিয়ে প্রস্তুতির পথ সহজ ছিল না। তবুও ঢাকায় পড়াশোনার স্বপ্ন থেকেই University of Dhaka এবং Jagannath University-কে লক্ষ্য করে এগিয়ে গিয়েছিলাম। ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা আশানুরূপ না হলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আলাদা এক টান সবসময় অনুভব করতাম, কারণ আমার বড় ভাইও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই। শুরুতে ছোট্ট ক্যাম্পাস দেখে কিছুটা হতাশ হলেও খুব অল্প সময়েই এই ক্যাম্পাস, সিনিয়রদের আন্তরিকতা এবং সহপাঠীদের ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করে। র‍্যাগিংমুক্ত, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতাপূর্ণ এই পরিবেশ সত্যিই এক পরিবারের অনুভূতি দেয়। আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমার পরিচয়, গর্ব এবং ভবিষ্যৎ স্বপ্নের ঠিকানা।

রহমত উল্লাহ
শিক্ষার্থী,  গণিত বিভাগ,  
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 

 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে আমার একমাত্র স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়ার। গ্রামের স্কুল ও উপজেলার কলেজে পড়াশোনা করে সেই স্বপ্ন নিয়েই কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। মনে হয়েছিল, হয়তো আমাকে দিয়ে কিছুই হবে না। সেই কঠিন সময়ে আমার পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের সমর্থন আমাকে নতুন করে সাহস জুগিয়েছে। পরবর্তীতে আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাই। শুরুতে মনে কিছু আক্ষেপ থাকলেও এখন আমি গর্বের সঙ্গে নিজেকে একজন জবিয়ান বলতে পারি। আমি বিশ্বাস করি, স্বপ্ন পূরণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নয়, নিজের পরিশ্রম ও নিষ্ঠাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে আমার লক্ষ্য অর্জনের যথেষ্ট সুযোগ করে দেবে এটাই আমার আশা ও প্রত্যাশা। অতীতের ব্যর্থতা আমাকে হতাশ করেনি; বরং আরও দৃঢ় করেছে। সবকিছুর জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ।

নওরিন আক্তার নিশা 
শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 


পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের হৃদয়ে কিছু বিশেষ অনুভূতি থাকে। কারও অনুভূতি পরিবারকে ঘিরে, কারও স্বপ্ন নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। আমার অনুভূতির কেন্দ্রজুড়ে আছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ভর্তি যুদ্ধের দীর্ঘ সংগ্রাম পেরিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়াটা আমার জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।প্রথম দিন ক্যাম্পাসে এসে ছোট পরিসরের মধ্যেও বিশাল সম্ভাবনা দেখেছি। বাস, প্রশাসনিক ভবন, শহিদ মিনার সবকিছু মিলিয়ে জবি আমার কাছে শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি স্বপ্ন, পরিশ্রম ও আত্মগঠনের প্রতীক। রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে শুরুতে কিছু ভয় কাজ করলেও বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা আমাকে সাহস জুগিয়েছে। আমার বিশ্বাস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শুধু উচ্চশিক্ষা নয়, মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলারও একটি অনন্য ক্ষেত্র। ভবিষ্যতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক সুবিধা বৃদ্ধি পেলে এই বিশ্ববিদ্যালয় আরও সমৃদ্ধ হবে। একজন গর্বিত জবিয়ান হিসেবে আমার প্রত্যাশা, এখান থেকেই আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে পারব।

শাফায়াত হোসেন সোহাগ, 
শিক্ষার্থী,  রসায়ন বিভাগ,
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমি  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর একজন শিক্ষার্থী। এই অর্জনের পেছনে রয়েছে অসংখ্য নির্ঘুম রাত, দুশ্চিন্তা, ব্যর্থতা এবং অদম্য পরিশ্রম। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বড় কোচিংয়ে পড়ার সুযোগ না থাকলেও ছোট একটি অনলাইন কোর্স এবং পুরোনো বই নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এ সুযোগ না পাওয়ায় ভীষণ হতাশ হয়েছিলাম। তবুও বাবা-মায়ের উৎসাহ এবং আল্লাহর প্রতি অটুট বিশ্বাস আমাকে এগিয়ে যেতে সাহস দিয়েছে। অবশেষে আল্লাহর অসীম রহমতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই এবং আমার কাঙ্ক্ষিত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে স্থান অর্জন করি। ঈদের দিন এই সুসংবাদ পাওয়ার আনন্দ আজও হৃদয়ে অমলিন। এই অর্জন শুধু আমার নয়, আমার মা-বাবার ত্যাগ ও স্বপ্নেরও সফল পরিণতি। আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ কখনো পরিশ্রম বৃথা যেতে দেন না। আলহামদুলিল্লাহ।

আবুল হোসাইন কুরাইশী।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 


ছোট থেকেই সকলের মাঝে মধ্যম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলাম। তবে সকলের পরিবারের মতো আমার পরিবারেরও ইচ্ছা ছিল আমি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের মাধ্যমে আমার পরিবারের ইচ্ছা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমার কাছে আরও বিশেষ হয়ে দাঁড়িয়েছিল আমার পূর্বের ইতিহাসের জন্যে। আমার বাবা ও এই একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন তবে পারিবারিক অসচ্ছলতার জন্য পড়াশোনার ইতি টানতে হয়েছিল। তখন এটি ছিল কলেজ এখন এটি বিশ্ববিদ্যালয় যার ফলে আরও অনেক সম্ভার খুলেছে। আশা করছি আমরা সবাই মিলে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব এই বিশ্ববিদ্যালয়টি কে। পৃথিবীতে সমৃদ্ধির শিখরে দাঁড়াবো। অনেকে বলে অনেক ছোট আমাদের ক্যাম্পাস তবে আমরা চেষ্টা করলে এই ছোট ক্যাম্পাস থেকে বিশ্ববিখ্যাত কিংবদন্তির ভিত স্থাপন করতে পারি। আমরা চেষ্টা করলে শুধু বাংলাদেশে না বিশ্বে সামনে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উঁচু করতে হবে। তাই আমাদের প্রয়োজন একতা, বিশ্বাস এবং ভরসা। পৃথিবীতে অনেকে অসম্ভব কে সম্ভব করেছেন কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে, আমরা যদি করি আশা করছি আমরা ও পারবো।

মোঃ তানভীর আহম্মেদ 
শিক্ষার্থী, গণ-যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা 


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এ পদার্পণের পর আমি যেন জীবনের নতুন এক আলোকময় অধ্যায়ের সন্ধান পেয়েছি। এটি শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং আমাদের গর্ব, ভালোবাসা ও স্বপ্নের জায়গা। ছোট পরিসরের এই ক্যাম্পাস আমার মতো হাজারো শিক্ষার্থীর কাছে এক টুকরো স্বর্গ, যেখানে পুরান ঢাকার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তরিক পরিবেশ আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে। সিনিয়র ভাইয়া-আপুদের সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও ভালোবাসা নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে অনেক সাহস জুগিয়েছে। লাল বাস, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, ক্লাসের ব্যস্ততা সব মিলিয়ে প্রতিটি দিনই হয়ে উঠছে স্মরণীয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে শুধু পড়াশোনা নয়, জীবনকে নতুনভাবে দেখতে শিখিয়েছে। এখানে এসে বুঝেছি, স্বপ্ন দেখতে হলে সাহসও থাকতে হয়। আজ আমি গর্বের সঙ্গে নিজেকে একজন জবিয়ান বলতে পারি। আমার প্রত্যাশা, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান অক্ষুণ্ন রেখে নিজেকে একজন যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারব এবং পরিবারসহ নিজের সব স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হব। 

তাজকিয়া সুলতানা 
শিক্ষার্থী,  গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জার্নিটা আমার জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর একটি অধ্যায়। আমার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্নটা অনেক আগে থেকেই ছিল। এই স্বপ্ন পূরণের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।সবার মত আমারও এডমিশনের সময়টা ছিল অনেক বেশি চাপ, দুশ্চিন্তা এবং অনিশ্চয়তায় ভরা। প্রতিদিন পড়াশোনা, কোচিং এবং নিজের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা—সবকিছু মিলিয়ে সময়টা ছিল একধরনের ভীতিকর সময়।কখনো আত্মবিশ্বাস বেড়েছে, আবার কখনো ভয় কাজ করেছে যে আদৌ কি কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পারব কিনা। কিন্তু সব কষ্ট ও অপেক্ষার অবসান ঘটে যখন জানতে পারলাম আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে আমার মনে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন নিয়ে অনেক প্রত্যাশা ছিল। ভাবতাম বিশ্ববিদ্যালয় মানেই স্বাধীনতা, নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ, নিজের মত প্রকাশের সুযোগ এবং জীবনের নতুন এক অধ্যায়। কল্পনা করতাম ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সাথে আড্ডা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম এবং প্রাণবন্ত একটি পরিবেশ। একই সাথে আশা ছিল যে এখানে এমন কিছু শিক্ষক পাব, যারা শুধু পড়াশোনাই নয়, জীবনের বাস্তব দিকগুলো সম্পর্কেও শিক্ষা দেবেন। কিন্তু ভর্তি হওয়ার পরে বাস্তব অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। প্রথমদিকে,পুরান ঢাকার অদ্ভুত পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া কিছুটা কঠিন ছিল। নতুন বন্ধু, নতুন শিক্ষক, নতুন নিয়ম সবকিছুই ছিল ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা।আর তার সাথে ছিল ছোট ক্যাম্পাস এবং হল না থাকার ডিপ্রেশন।তবে ধীরে ধীরে ক্যাম্পাস, ক্লাসরুম এবং বন্ধুদের সাথে এক ধরনের আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যেমন আনন্দ আছে, তেমনি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জও আছে এটা আমি খুব কাছ থেকে বুঝতে পারছি।ক্লাস টেস্ট, প্রেজেন্টেশন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা সব মিলিয়ে জীবন অনেক বেশি বাস্তব হয়ে উঠেছে।সাথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে থাকার যুদ্ধের মাধ্যমে জিবন অনেক কিছু শিখেছে। আমি বিশ্বাস করি এই বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে শুধু একাডেমিক জ্ঞানই দিবে না বরং মানুষ হিসেবেও অনেক পরিণত করবে।এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়েছে, যা আমার চিন্তাভাবনাকে আরও বিস্তৃত করেছে। আমার প্রত্যাশার সবকিছু হয়তো পুরোপুরি মিলে যায়নি, কারণ বাস্তবতা সবসময় কল্পনার মতো হয় না। তবুও আমি বলতে পারি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে এমন অনেক অভিজ্ঞতা দিয়েছে এবং দিবে  যা আমার ব্যক্তিগত জীবন ও ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার এই জার্নি আমার কাছে শুধু শিক্ষাজীবনের একটি ধাপ নয়, বরং জীবনের এক মূল্যবান অধ্যায়।

রাইজুল ইসলাম রাকিব 
শিক্ষার্থী,বাংলা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়