মালিবাগ-খিলগাঁওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-ড্রেন দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের কারণে মালিবাগ-খিলগাঁও এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। একইসঙ্গে গর্ত ও খানাখন্দে ভরা সড়ক দ্রুত মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মালিবাগ রেলগেট থেকে খিলগাঁও-বাসাবো এলাকা পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে প্রকল্পের অগ্রগতির পাশাপাশি সড়ক, ড্রেনেজ, জননিরাপত্তা ও নির্মাণ-পরবর্তী নাগরিক সুবিধার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেন সেতু সচিব। নির্মাণকাজের গুণগতমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর কারণে সৃষ্ট সাময়িক জনদুর্ভোগ দ্রুত কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
মালিবাগ থেকে খিলগাঁও অংশে ক্ষতিগ্রস্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা দ্রুত মেরামতের বিষয়ে এক্সপ্রেসওয়ের রুট অ্যালাইনমেন্টের মধ্যে ইউটিলিটি অপসারণ ও প্রতিস্থাপনের কাজে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের (২৪ ইসিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে অ্যালাইনমেন্ট সংলগ্ন মূল সড়কের গর্ত ও খানাখন্দ দ্রুত মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেন তিনি।
সেতু সচিব বলেন, বড় অবকাঠামো নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সড়ক, ড্রেনেজ ও অন্যান্য নাগরিক অবকাঠামোর কার্যকারিতা বজায় রাখাও প্রকল্প বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জনদুর্ভোগ কমানো ও নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পরিদর্শনকালে প্রকল্পের নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও কাঠামোগত বিষয়ও পর্যালোচনা করা হয়। মূল উড়াল সড়কের গার্ডারের নিচে স্থাপিত বিয়ারিং প্যাড নিয়মিত ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া মালিবাগ রেলগেট মোড়ে ট্রপিক্যাল হোমসের নির্মাণাধীন টিএ টাওয়ারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ড্রেনগুলো দ্রুত পুনর্নির্মাণ এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করার নির্দেশ দেন সেতু সচিব। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরিদর্শন শেষে প্রকল্প কর্মকর্তা, নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোকে নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া, অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে—এমন সমস্যাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
