শিশুদের কর্মক্ষম মানুষে পরিণত করতে হবে : ইকরা প্রিন্সিপাল
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৩১ | অনলাইন সংস্করণ
আবদুর রউফ আশরাফ

শুদের ননীর পুতুল নয় কর্মক্ষম মানুষে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইকরা বাংলাদেশ স্কুল হবিগঞ্জের প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা মাসউদুল কাদির। তিনি বলেন, আমরা বাচ্চাদের কেবল তুলে তুলে খেতে দিই, চামচে খাইয়ে দিই, আদরে আহ্লাদে বড় করে তুলতে চেষ্টা করি। এটাই বাচ্চাদের পিছিয়ে দে। শিশুদের কর্মক্ষম করে বড় করে তোলা উচিত।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইকরা বাংলাদেশ স্কুল হবিগঞ্জের দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষার ছুটির পর শিক্ষার্থীদের এক বার্তায় প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা মাসউদুল কাদির এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ছুটিতে বাচ্চারা বাসায় থাকে। আনন্দ করে। সবকিছু সঙ্গে তারা যেনো বাসার টুকটাক কাজের সঙ্গেও যুক্ত হয়। সবকিছু নিজে কিংবা কাজের মানুষকে করানো উচিত নয়। শিশু যদি নিজের কাজটা নিজেই করতে শিখে তাহলে সমাজটাই সুন্দর হয়ে যাবে।
কর্মবান্ধব হলে শিশুর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে দাবি হাফিজ মাওলানা মাসউদুল কাদির বলেন, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিশুজীবনেই কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। দুগ্ধভাই আবদুল্লাহকে কাজে সহযোগিতা করেছেন। পশু চরাতে মাঠে গিয়েছেন। আজকের শিশুকেও নবীজির আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। পিতা-মাতা হিসেবে নবীজির আদর্শ অনুসরণে উৎসাহিত করতে হবে।
ননীর পুতুর বানানোর কারণেই স্কুলে বাচ্চারা কান্না করে বলে মন্তব্য করে হাফিজ মাওলানা মাসউদুল কাদির বলেন, প্রথম স্কুলে এসে শিশু কান্না করে। যাদেরকে অতি আহ্লাদে বড় করা হয়- তাদের কান্না সহজে থামে না। এমনকি একবছর লেগে যায়। শিশুকে শুরু থেকেই কাজে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। ইউরোপে কিংবা পশ্চিমা দেশগুলোতে দুই-আড়াই বছরেই স্কুলে পাঠানো হয়। নানা ধরনের বিয়াম বা ম্যানার শেখানো হয়। আমরা কেন পারি না। আমাদের শিশুরা কেবল মুখস্থ করে। ম্যানার শেখে না। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকসহ সবাই এ বিষয়ে আন্তরিক হতে হবে।
