
আগামী অর্থবছরকে চারটি প্রান্তিকে ভাগ করে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রণোদনা ও জরিমানার কাঠামো নির্ধারণ করা হচ্ছে। বর্তমানে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত সময় ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। সময়মতো রিটার্ন জমা না দিলে বিলম্ব সুদ আরোপের বিধান রয়েছে। তবে প্রতিবছরই করদাতাদের সুবিধার্থে এই সময়সীমা কয়েক দফা বাড়ানো হয়। নতুন ব্যবস্থায় এই জটিলতা দূর করতে পুরো অর্থবছরকে চারটি প্রান্তিকে ভাগ করে রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রণোদনা ও জরিমানার কাঠামো নির্ধারণ করা হচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে অর্থাৎ প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতা পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাবেন। তবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে কোনো জরিমানা না থাকলেও বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাওয়া যাবে না।
অপরদিকে, জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে। আর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই হারে জরিমানা আরোপ করা হবে। এই অর্থ মূল করের সঙ্গে যুক্ত হবে।
আমার বার্তা /জেএইচ

