রোববারের মধ্যে আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে চূড়ান্ত ও কঠোর সিদ্ধান্ত

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ১৮:১১ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত প্রতিবেদনের সারমর্ম তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয়জন নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা হাসপাতালে ওই সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকা ও নার্স. স্টাফ এবং সর্বপরি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অবহেলাজনিত কারণে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তদন্ত প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে তিনি জানান ৷

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে মন্ত্রী এ কথা জানান।
  
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন দিয়েছে আপনাদের সামনে পড়ে শোনানো হয়েছে। এখন আমরা কর্তৃপক্ষ এই প্রতিবেদন নিয়ে বসবো। বসে বিদ্যমান আইনে যেই শাস্তি দেওয়া যায় আমরা সেটাই করব ইনশাল্লাহ।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রতিবেদনের এখানে একটা লাইন কিন্তু আছে যে ছয়জন নবজাতকের আকর্ষিক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা উক্ত হাসপাতালে বর্ণিত সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকা ও নার্স, স্টাফ এবং সর্বপরি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অবহেলাজনিত বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে ৷ বিদ্যমান আইনে এবং বিধানে যে শাস্তি দেওয়া যায় সেই শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করবো ৷

হাসতালের লাইসেন্স বাতিল সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সেগুলি আমরা আইন দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো। পুরা হাসপাতালে ২০০ উপরে রোগী রোগী আছে। এই জন্য পুরা হাসপাতাল বন্ধ করতে পারি না।

দুই নাম্বার সেটা আইন বহির্ভূত একটা কাজ। আমরা আমাদের যেটা আইনে যা আছে আপনাদেরকে প্রমিনেন্টলি বলি। আইন যা বলেছে তদন্ত করতে হবে। তদন্ত কমিটির পরে আমরা বসে শাস্তির বিধান কি আছে সেটা আমরা নিশ্চিত করবো। আমরা আগামী দুইদিন বন্ধ। রবিবারের ভিতরে আমরা সিদ্ধান্ত বলব। ইনশাল্লাহ আপনারা সন্ধ্যার মধ্যে জানতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, তদন্ত কমিটি মনে করে ভবিষ্যতে বেসরকারি হাসপাতালের নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল পরিচালনা ব্যবহৃত ভবন পরিদর্শন পূর্বক পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি গ্রহণ বাধ্যতামূলক ।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের আইনে প্রমাণিত হলে জেল দিতে পারব। জেল দেওয়ার মালিকতো আমরা না, কোর্ট, সেজন্য একটা মামলা হয়েছে।


আমার বার্তা/এমই