প্রচণ্ড গরমে ব্যায়াম বা হাঁটার সময়ে সতর্কতা
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ১৪:৩৯ | অনলাইন সংস্করণ
ডা.এম ইয়াছিন আলী

নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়ামের অভ্যাস যাঁদের আছে, তাঁরা এই তীব্র তাপপ্রবাহের সময় অস্বস্তিতে ভোগেন। অনেকে অসুস্থও হয়ে পড়তে পারেন। কিন্তু ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত হাঁটা উচিত।
তাহলে এই গরমে কী করবেন?
তীব্র গরমে ব্যায়াম করা বা
হাঁটার সময় হিট স্ট্রোক,
পানিশূন্যতা বা অতিরিক্ত ক্লান্তির
ভাব হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ জন্য
কিছু বিষয় খেয়াল রাখা খুব জরুরি।
যা করবেন
ব্যায়ামের আগে, মাঝখানে ও পরে প্রচুর পানি পান
করতে হবে। বেশি ঘাম হলে ইলেকট্রোলাইটযুক্ত
পানীয় (যেমন ওআরএস, লেবু-লবণপানি) পান করা
ভালো। তৃষ্ণা না পেলেও নিয়মিত পানি পান করুন।
পাতলা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের পোশাক পরুন,
যাতে গরম কম লাগে। সুতির কাপড় বেশি উপযোগী,
কারণ এটি ঘাম শোষণ করে নেয়।
কখন ও কোথায় ব্যায়াম করবেন
ব্যায়াম করার জন্য সঠিক সময় নির্বাচন করতে হবে।
ভোর পাঁচটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত অথবা
সন্ধ্যার পর অপেক্ষাকৃত শীতল আবহাওয়ায় ব্যায়াম
করুন। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদ
সবচেয়ে বেশি থাকে; এ সময় ব্যায়াম করা এড়িয়ে
চলুন। সম্ভব হলে ছায়াযুক্ত পার্কে বা ঘরের মধ্যে
অথবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জিমে ব্যায়াম করুন।
খোলা জায়গায় ব্যায়াম করলে সঙ্গে টুপি, ছাতা বা
রোদচশমা রাখতে পারেন। ব্যায়ামের
আগে হালকা খাবার খান। ভারী
খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
তরমুজ, শসা, ডাব ইত্যাদি
পানিশূন্যতা রোধে সহায়ক।
সতর্কতা
যাঁদের উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ
বা শ্বাসকষ্ট আছে, তাঁরা বিশেষ
সতর্কতা অবলম্বন করুন।
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ
নিন। নিজের শরীরের সংকেত
শুনুন। মাথা ঘোরা, বমি ভাব,
দুর্বলতা, ঘন ঘন ঘাম হওয়া বা ঘাম বন্ধ হয়ে
যাওয়া—এসব হিট স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে।
সঙ্গে সঙ্গে বিশ্রাম নিন ও পানি পান করুন। বেশি
ক্লান্ত লাগলে ব্যায়াম বন্ধ করে ছায়াযুক্ত ঠান্ডা
জায়গায় বিশ্রাম নিন। ব্যায়ামের পর ঠান্ডা পানি
দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। ঘরে ফিরে
ঠান্ডা জায়গায় বিশ্রাম নিন। একটু বিশ্রাম নিয়ে
গোসল করে নিন।
#
প্রচণ্ড গরমে ব্যায়াম বা হাঁটার
সময়ে সতর্কতা
ডা.এম ইয়াছিন আলী
নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়ামের অভ্যাস যাঁদের
আছে, তাঁরা এই তীব্র তাপপ্রবাহের
সময় অস্বস্তিতে ভোগেন। অনেকে
অসুস্থও হয়ে পড়তে পারেন। কিন্তু
ডায়াবেটিস,
হৃদরোগ,
স্থূলতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত
ব্যক্তিদের নিয়মিত হাঁটা উচিত। তবে চিকিৎসা এর পরামর্শ ও নিয়ম নীতি মেনে।
তাহলে এই গরমে কী করবেন?
তীব্র গরমে ব্যায়াম করা বা
হাঁটার সময় হিট স্ট্রোক,
পানিশূন্যতা বা অতিরিক্ত ক্লান্তির
ভাব হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ জন্য
কিছু বিষয় খেয়াল রাখা খুব জরুরি।
যা করবেন
ব্যায়ামের আগে, মাঝখানে ও পরে প্রচুর পানি পান
করতে হবে। বেশি ঘাম হলে ইলেকট্রোলাইটযুক্ত
পানীয় (যেমন ওআরএস, লেবু-লবণপানি) পান করা
ভালো। তৃষ্ণা না পেলেও নিয়মিত পানি পান করুন।
পাতলা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের পোশাক পরুন,
যাতে গরম কম লাগে। সুতির কাপড় বেশি উপযোগী,
কারণ এটি ঘাম শোষণ করে নেয়।
কখন ও কোথায় ব্যায়াম করবেন
ব্যায়াম করার জন্য সঠিক সময় নির্বাচন করতে হবে।
ভোর পাঁচটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত অথবা
সন্ধ্যার পর অপেক্ষাকৃত শীতল আবহাওয়ায় ব্যায়াম
করুন। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদ
সবচেয়ে বেশি থাকে; এ সময় ব্যায়াম করা এড়িয়ে
চলুন। সম্ভব হলে ছায়াযুক্ত পার্কে বা ঘরের মধ্যে
অথবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জিমে ব্যায়াম করুন।
খোলা জায়গায় ব্যায়াম করলে সঙ্গে টুপি, ছাতা বা
রোদচশমা রাখতে পারেন। ব্যায়ামের
আগে হালকা খাবার খান। ভারী
খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
তরমুজ, শসা, ডাব ইত্যাদি
পানিশূন্যতা রোধে সহায়ক।
সতর্কতা
যাঁদের উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ
বা শ্বাসকষ্ট আছে, তাঁরা বিশেষ
সতর্কতা অবলম্বন করুন।
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ
নিন। নিজের শরীরের সংকেত
শুনুন। মাথা ঘোরা, বমি ভাব,
দুর্বলতা, ঘন ঘন ঘাম হওয়া বা ঘাম বন্ধ হয়ে
যাওয়া—এসব হিট স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে।
সঙ্গে সঙ্গে বিশ্রাম নিন ও পানি পান করুন। বেশি
ক্লান্ত লাগলে ব্যায়াম বন্ধ করে ছায়াযুক্ত ঠান্ডা
জায়গায় বিশ্রাম নিন। ব্যায়ামের পর ঠান্ডা পানি
দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। ঘরে ফিরে
ঠান্ডা জায়গায় বিশ্রাম নিন। একটু বিশ্রাম নিয়ে
গোসল করে নিন।এভাবেই সতর্কতা অবলম্বন করে কাজ গুলো করা ভালো। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক এর পরামর্শ ও নিয়ে রাখতে পারেন।
লেখক: ডা. এম ইয়াছিন আলী
চেয়ারম্যান ও চীফ কনসালটেন্ট
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল
ধানমন্ডি, ঢাকা
হটলাইন: ০১৭১৭-০৮৪২০২
Email: dresain20@gmail.com
