ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ট্রাম্পের দূত উইটকফ সুইজারল্যান্ডে

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি ও পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। আগে এ আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তার সফর স্থগিত করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার পথ কিছুটা সুগম হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি ছিল, লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এক্সিওস এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সম্ভাব্য পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে প্রথম দফার আলোচনায় অংশ নিতে উইটকফ সুইজারল্যান্ডে গেছেন। এই আলোচনাকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় জেডি ভ্যান্সের সফর স্থগিত হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ উঠেছে।

এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সংঘাত প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন। এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কখনো কখনো শান্ত থাকা এবং বিবেচনার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। তবে তিনি সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন কি না, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি।

এর আগে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেন। সেই ধারাবাহিকতায় সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক অবকাশকেন্দ্রে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতা প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু থেকেই উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী রাজনৈতিক মহলের একটি অংশ লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যা ভবিষ্যৎ আলোচনার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।


আমার বার্তা/এমই