কঠিন সময়ে পাশে থাকা বন্ধুরা হরমুজে বিশেষ সুবিধা পাবে: ইরান
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৬, ১৬:২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

সমঝোতা স্মারকের আওতায় হরমুজ প্রণালিতে ৬০ দিন (আলোচনা চলাকালে) টোল আদায় হবে না। এরপর কী হবে তা নিয়ে অস্পষ্টতা আছে। চীনে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেছেন, প্রণালিটি যেহেতু তাদের জলসীমার অংশ তাই সেখানে অবশ্যই জাহাজ চলাচলে ফি নির্ধারণ করা হবে।
বেইজিংয়ে ওয়ার্ল্ড পিস ফোরামে রাষ্ট্রদূত আব্দুলরেজা রহমানি ফাজলি শনিবার বলেন, জলপথটির জন্য নতুন নীতিমালা তৈরির জন্য তাঁর দেশ ওমানের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করছে। সেখানে সার্ভিস ফি ধার্য করা হবে। তবে এই ফি কোনো টোল নয়।
বক্তব্যে আব্দুলরেজা রহমানি উল্লেখ করেন, ‘যেসব দেশ আমাদের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন ছিল এবং বিশেষ করে কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল, তাদের জন্য আমরা অবশ্যই বিশেষ সুবিধার কথা বিবেচনা করব।’
ফি ধার্য করার কারণ হিসেবে ইরানি রাষ্ট্রদূত জানান, ওমানের সঙ্গে মিলে যে নতুন নীতিমালা বা ব্যবস্থা তৈরি করা হবে সেটির লক্ষ্য প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জাহাজগুলোর চলাচল তদারকি এবং বিপুল সংখ্যক যানের যাতায়াতের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত প্রভাব মোকাবিলার জন্য ওই ফি ধার্য করা হবে।
যুদ্ধবিরতির পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ধরনের অর্থ আদায়ের চেষ্টার বিরোধীতা করে আসছে। সাধারণত বিশ্বের মোট উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।
সমঝোতা বা প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইরান এই জলপথ থেকে তাদের অবরোধ তুলে নিয়েছে। বর্তমান দুই দেশ ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা করছে। এই ৬০ দিনে জাহাজ থেকে কোনো ফি আদায় করা হবে না।
আমার বার্তা/এমই
