ই-পেপার শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

কিশোরদের মানসিক ক্ষতির অভিযোগে মেটা ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা

আমার বার্তা অনলাইন
২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১৮

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কি কিশোরদের ক্ষতি করছে? এই প্রশ্নই এখন আদালতে। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে শুরু হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচার। আসামির তালিকায় আছে মেটা ও ইউটিউব। অভিযোগ উঠেছে, তাদের প্ল্যাটফর্ম কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে।

মামলাটি করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার এক তরুণী। আদালতে তিনি কেজিএম নামে পরিচিত। মামলায় আছেন তার মা ক্যারেন গ্লেনও।

তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে আসক্তি তৈরি করে। অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখে। বারবার নোটিফিকেশন আসে। ফিডের শেষ নেই। একটি ভিডিও শেষ না হতেই আরেকটি শুরু।

অভিযোগে বলা হয়, এসব কারণে ওই তরুণীর মানসিক অবস্থা খারাপ হয়। তিনি হতাশায় ভোগেন।

এই মামলায় শুরুতে ছিল আরও দুটি প্রতিষ্ঠান- টিকটক ও স্ন্যাপ। তবে বিচার শুরুর আগেই তারা আলাদা সমঝোতায় গেছে। ফলে এখন আদালতে মুখোমুখি মেটা ও ইউটিউব।

বাদীপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, সমস্যা শুধু কনটেন্ট নয়। সমস্যা প্ল্যাটফর্মের নকশায়। ব্যবহারকারী যেন বারবার ফিরে আসে— সেইভাবে তৈরি সিস্টেম। কিশোররা এতে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, এসব প্ল্যাটফর্মে সাইবার বুলিং বাড়ে। শরীর নিয়ে নেতিবাচক তুলনা তৈরি হয়। অচেনা প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গেও যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয়।

এ ধরনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আরও প্রায় দেড় হাজার মামলা বিচারাধীন। কেজিএমের মামলাকে ধরা হচ্ছে দৃষ্টান্তমূলক মামলা হিসেবে। এর রায় ভবিষ্যতের অনেক মামলার পথ ঠিক করতে পারে। বিচারে প্রযুক্তি কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রক্রিয়া কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠানগুলো। মেটা বলছে, তারা কিশোরদের জন্য আলাদা নিরাপদ অ্যাকাউন্ট চালু করেছে। সেখানে গোপনীয়তা সুরক্ষা বেশি। অভিভাবকদের জন্য নজরদারি টুলও আছে।

ইউটিউব জানিয়েছে, তারা সংবেদনশীল কনটেন্টে বিধিনিষেধ দিয়েছে। কম বয়সী ব্যবহারকারী শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিভাবক নিয়ন্ত্রণ সুবিধাও যুক্ত হয়েছে।

তবে সমালোচকেরা বলছেন, এসব যথেষ্ট নয়। কারণ মূল নকশাই মনোযোগ ধরে রাখার জন্য তৈরি। সেখানেই ঝুঁকির শুরু।

এই মামলার রায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে প্রযুক্তি খাতে। ক্ষতিপূরণ গুনতে হতে পারে কোম্পানিগুলোকে। নকশা ও নীতিতেও আসতে পারে পরিবর্তন।

আমার বার্তা/জেএইচ

টেলিকম স্থাপনায় অগ্রাধিকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান

দেশের টেলিকম অবকাঠামোর নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ ও স্থায়ী বিদ্যুৎ

ইনস্টাগ্রামে আসছে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন আয়ের পথ খুঁজছে মেটা। এর অংশ হিসেবে কয়েকটি দেশে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন সেবা

ক্যামেরা বাম্প ছাড়াই এলো গুগলের নতুন ফোন পিক্সেল ১০এ

  স্মার্টফোনে বড় ক্যামেরা বাম্প এখন প্রায় স্বাভাবিক বিষয়। তবে সেই ধারা ভেঙে নতুন চমক দেখিয়েছে

১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাই করছে নোকিয়া

বিশ্বখ্যাত ফিনিশ টেলিকম প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নোকিয়া বিশ্বব্যাপী তাদের কর্মীসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এলজিইডিতে স্থবিরতা কাটাতে বড় পদক্ষেপ: ১৯৭ প্রকৌশলীকে নির্বাহী দায়িত্ব

জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে: জ্বালানিমন্ত্রী

টেলিকম স্থাপনায় অগ্রাধিকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন তানভীর গনি ও বিজন কান্তি

জামায়াত মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলে সংবিধান নিয়ে সংকট সৃষ্টি হয় না: রাশেদ খান

ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ সৌদি আরব, যুদ্ধনীতি-অপমানে বন্ধুত্বে ফাটল

ফেনীতে ২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় চ্যালেঞ্জ ব্রিটিশ আইনি সেবা প্রতিষ্ঠানের

বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ

সাফের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জাপান-বাংলাদেশ ইপিএ চুক্তি মাইলফলক: বাণিজ্যমন্ত্রী

১৩৩ অধ্যাদেশ যাচাই: ২০টি বাতিলের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

অভিভাবকদের গান-বাজনায় বাধ্য করা ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন: হেফাজত

ঢাকায় সাবেক আলজেরীয় রাষ্ট্রপতি লিয়ামিন জেরুয়ালের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

বিসিবি থেকে পদত্যাগ করলেন আরেক পরিচালক ইয়াসির ফয়সাল

সম্মিলিতভাবে অন্ধত্ব নিরসনের অঙ্গীকার করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ কয়লাসহ আটক ৩

এসএসসি পরীক্ষার জন্য ঢাকা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই: সংসদে বিদ্যুৎমন্ত্রী