
২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা এবং সব ধরনের ক্ষতিপূরণসহ চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে অধিনায়কের সামারি কোর্ট বিডিআর-২০০৯ নামের একটি সংগঠন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই দাবি জানানো হয়।
তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো- অতিদ্রুত স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে; বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কঠোর বিচার করতে হবে।
আলোচনা সভায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য ও সংগঠনটির সভাপতি মো. জহরুল ইসলাম জহুর বলেন, আমাদের জানামতে— পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও বিচার কার্যক্রম সমাপ্ত হওয়ার পরে যেসব বিডিআর সদস্য নিজ নিজ ইউনিটে হাজির ছিলেন, তাদের সবাইকে একই আইনে একই চার্জশিট দেওয়া হয়। এ আইনে হাজার হাজার নিরপরাধ বিডিআরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একই চার্জশিটভুক্ত বাকি সদস্যদের পূর্ণ মর্যাদায় চাকরিতে বহাল রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদেরও চাকরি করার সুযোগ দিতে পারতো। কিছু আমাদের সঙ্গে অন্যায় ও অবিচার করা হয়েছে। তাই আমরা এখন ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, স্বাধীন তদন্ত কমিশন বহু প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং চ্যালেঞ্জের মধ্যে একটি প্রতিবেদন সরকারকে দাখিল করেছে। যদিও আমরা এখনো জানি না এই প্রতিবেদনে কী আছে। আমরা বিশ্বাস করি— মর্মান্তিক পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটনার প্রকৃত সত্য উন্মোচন এবং সব শহীদ ও ষড়যন্ত্রের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবারের বিভিন্ন বেদনা, অনিশ্চয়তা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এই কমিশনের রিপোর্ট জাতির কাছে সত্যের নতুন দুয়ার খুলবে।
আলোচনা সভায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য খান আমানউল্লাহ শোয়েব, সিপাহি মো. হুমায়ুন, সিপাহি, মো. আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
আমার বার্তা/এমই

