তারেক রহমানকে ভারত সফরে আমন্ত্রণ জানলেন নরেন্দ্র মোদী
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১৬:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

আগামী সেপ্টেম্বরে আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে (ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র)। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি। আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি বিদেশে গিয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন—এমন কোনো সুনির্দিষ্ট খবর আমরা পাইনি। এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেলে অবশ্যই তদন্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের বিষয়ে আমন্ত্রণ এসেছে।’ পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে সরকার আশা করছে।
এছাড়া ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা কমাতে পাসপোর্ট ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে তাকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়া হয়নি।
রাষ্ট্রপতির শারীরিক অসুস্থতা নিয়েও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, চিকিৎসার জন্য তিনি পদত্যাগ করে বিদেশে যেতে পারেন। তবে এসব তথ্যও সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
এছাড়া কয়েকটি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক লন্ডন সফরের সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ বা বৈঠকের দাবি করা হলেও, এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ বা সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। এরপর রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
আমার বার্তা/এমই
