প্রধানমন্ত্রীর ভারত ও জাপান সফর এখনো চূড়ান্ত নয়: শামা ওবায়েদ

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৮ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত ও জাপান সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেন, সব দেশে সফরের বিষয়েই সরকার ইতিবাচক। তবে, এটি প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি এবং দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা কত দূর এগোয়, তার ওপর নির্ভর করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেবেন নাকি দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এখনো পর্যাপ্ত সময় আছে।

তিনি বলেন, ব্রিকস এখনো অনেক দূরে। এক মাসে অনেক কিছুই হতে পারে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নতুন সাংবিধানিক কার্যক্রমসহ গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সামনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রয়েছে এবং জাতীয় সংসদের অধিবেশনও বসতে যাচ্ছে। আমাদের দেশের ভেতরে অনেক কর্মসূচি ও কার্যক্রম চলছে। সামনে বেশ কিছু সাংবিধানিক বিষয়ও রয়েছে। এই দিক থেকে সরকার ব্যস্ত এবং প্রধানমন্ত্রীও ব্যস্ত।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরগুলোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক রয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে অবশ্যই ভারত সফর হবে, জাপান সফর হবে এবং অন্যান্য দেশেও সফর হবে।

প্রস্তাবিত জাপান সফরের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, এর তারিখ ও সময় এখনো ঠিক হয়নি। দুই দেশের পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে এটি নির্ধারণ করা হবে।

ভারত সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান হতে পারে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হলে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যখনই দুই দেশের নেতারা কথা বলেন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করেন, তখনই অনেক সমস্যা সমাধানের একটি সুযোগ তৈরি হয়। সেই সুযোগ অবশ্যই আছে এবং তা উন্মুক্ত রয়েছে।

ভারতে অবস্থান করে সাজাপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা এ বিষয়ে আগেই অবস্থান পরিষ্কার করেছে।আমরা আগেই বলেছি, যখন একজন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ভারতের মাটিতে বসে কথা বলেন, তখন বাংলাদেশের মানুষ তা গ্রহণ করে না এবং এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখে না।