নেইমারকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: রবিনহো জুনিয়র

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ১৩:৪১ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

সান্তোসের অনুশীলনে সতীর্থ রবিনহো জুনিয়রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়রের বিরুদ্ধে। নেইমারের এমন আচরণের জন্য রবিনহো জুনিয়র চান, নেইমার যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।

গত রোববার রবিবারের অনুশীলনে ঘটে যাওয়া উত্তেজনার ঘটনার পর এমন দাবি উঠেছে বলে সূত্রের মাধ্যমে জানিয়েছে ইএসপিএন।

এই ঘটনার পর সান্তোসের আইন বিভাগে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, রবিনহো জুনিয়র (যিনি সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি তারকা রবিনহোর ছেলে) দাবি করেছেন যে অনুশীলনের সময় নেইমার তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছেন।

রোববারের ট্রেনিং সেশনে এক পর্যায়ে তরুণ ফরোয়ার্ড রবিনহো জুনিয়র ড্রিবল করে নেইমারকে কাটিয়ে গেলে সেটিকে অসম্মানজনক মনে করেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রবিনহো জুনিয়রকে পা দিয়ে ফেলে দেন।

জানা যায়, অনুশীলনে রবিনহো জুনিয়র যখন নেইমারকে ড্রিবল করে পেরিয়ে যান, তখন নেইমার ক্ষুব্ধ হন এবং সেটিকে অসম্মানজনক হিসেবে নেন। পরে অবশ্য নেইমার ১৮ বছর বয়সী খেলোয়াড় এবং তার মায়ের কাছে নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

এই ঘটনার পর ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো স্পোর্টে জানিয়েছে, রবিনহো জুনিয়র নেইমারের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলেছেন এবং ক্লাবের সঙ্গে বৈঠক করে চুক্তি বাতিলের বিষয়েও আলোচনা করতে চান। তার দাবি, ক্লাবে ‘ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব’ রয়েছে।

এদিকে সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর কোচিং স্টাফ ও সতীর্থদের সামনে দুই খেলোয়াড়ই সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলেছিলেন। এই কারণে ক্লাব কর্তৃক রবিনহো জুনিয়রের অবস্থানকে কিছুটা বিস্ময়কর হিসেবে দেখছে।

ক্লাব ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছাও থাকতে পারে রবিনহো জুনিয়রের এই অবস্থানের পেছনে। এবং ক্ষমার দাবি আসলে চুক্তি বাতিলের আইনি পথ খোঁজার একটি কৌশল হতে পারে। যদিও তার প্রতিনিধি দল এই ব্যাখ্যা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

আরও একটি সম্ভাবনা হলো, কম খেলার সুযোগ পাওয়া রবিনহো জুনিয়র অন্য দলে ধারে (লোনে) যেতে পারেন, যাতে নিয়মিত খেলার সুযোগ পান।

এদিকে নেইমার, রবিনহো জুনিয়র এবং গ্যাব্রিয়েল বারবোসা দল নিয়ে প্যারাগুয়ের আসুনসিওনে গেছেন। জানা গেছে, তারা দলের হোটেলে একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজও করেছেন, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত আছে।