ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই ডোজ বিষাক্ত ওষুধ দিয়েও মৃত্যু হলো না, বেঁচে রইলেন আসামি

আমার বার্তা অনলাইন:
০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১০

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় বিরল ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ক্রিস্টা গেইল পাইক। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য তাকে দুই ডোজ বিষাক্ত ওষুধ দেওয়ার পরও তিনি মারা যাননি। বরং কারাগারে জোরে নাক ডাকতে শোনা যায় তাকে। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে কারাগার থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

৫০ বছর বয়সী পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা ছিল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায়। ১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। ১৮ বছর বয়সে ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হয়েছিলেন পাইক।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রায় এক ঘণ্টা আগে একটি আপিল আদালত তা স্থগিত করেছিল। তবে পরে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত সেই স্থগিতাদেশ বাতিল করে দেয়। এরপর রাতে কারা কর্তৃপক্ষ পাইককে দুই ডোজ পেন্টোবারবিটাল দেয় বলে তার আইনজীবীরা আদালতে জানান।

প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে উপস্থিত সংবাদকর্মীরা জানান, রাত ৭টা ২৭ মিনিটে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কক্ষের পর্দা সরানো হলে পাইককে একটি শয্যায় বেঁধে রাখা অবস্থায় দেখা যায়। তিনি তখনও জেগে ছিলেন। একপর্যায়ে নিজের মাথা তুলে কারা কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান, তার হাতের এমন অনুভূতি হওয়ার কথা কি না।

রাত ৮টা ২৬ মিনিটে দ্বিতীয় ডোজ ওষুধ দেওয়ার কথা জানা যায়। এরপরও বন্ধ পর্দার আড়াল থেকে পাইকের নাক ডাকার শব্দ শোনা যায়। রাত ৮টা ৫৩ মিনিটে মাইক্রোফোন বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সংবাদকর্মীদের সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়।

পাইকের আইনজীবীরা জানান, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও তিনি জীবিত ছিলেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ বা আইনজীবীরা পরে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি। মৃত্যুদণ্ডবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রবিন মাহের ঘটনাটিকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগে সাতজন বন্দি শিরায় ওষুধ প্রবেশ করাতে ব্যর্থতার কারণে মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন। তবে মৃত্যুদণ্ডের ওষুধ দেওয়ার পরও কেউ জীবিত থাকার ঘটনা আগে ঘটেনি।

পাইক ও তার প্রেমিক ১৯৯৫ সালে টেনেসির নক্সভিলে তাদের সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যা করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, পাইক স্লেমারকে একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত ও পাথরের বড় টুকরা দিয়ে মারধর করা হয়। পরে পাইকের প্রেমিক তার শরীরে শয়তান উপাসনার সঙ্গে যুক্ত একটি তারকাচিহ্ন খোদাই করেছিলেন বলে স্বীকার করেন। ঘটনাটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

ওপরদিকে, পাইকের আইনজীবীরা তার বয়স, মানসিক অসুস্থতা এবং শৈশবে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সামনে এনে মৃত্যুদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, মৃত্যুদণ্ডের সময় এসব বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। পাইকের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানান এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে জরুরি আবেদন করেন।

এ বছর টেনেসিতে এটি দ্বিতীয় ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। এর আগে মে মাসে টনি ক্যারুথার্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এক ঘণ্টারও বেশি সময় চেষ্টা করেও তার শরীরে শিরার মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়নি।

টেনেসিতে ২০২৪ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়। আগে তিন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হলেও পরে এক ধরনের ওষুধ পেন্টোবারবিটাল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে ওষুধ যথাযথভাবে পরীক্ষা না করার কারণে আরেকটি মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। - সূত্র: এপি, সিএনএন

ইসরায়েলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব

সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করা ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে থাকা ইসরায়েলি যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে সামরিক

যেভাবে ইরাক দখল করেছিল যুক্তরাষ্ট্র

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ হামলা হয়। এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ জন

আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলায় অন্তত ২২ জন জঙ্গি নিহত

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা

আফগানিস্তানে নতুন করে আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা লক্ষ্য
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ লাখ কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র

বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন রাশেদ খাঁন

ইসরায়েলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব

যেভাবে ইরাক দখল করেছিল যুক্তরাষ্ট্র

৬ মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো

ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

বিএনপির এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মিরপুরে উচ্ছেদে ভাঙচুর-আগুন : চার মামলায় আসামি ১০০০

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী

মালিবাগ-খিলগাঁওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-ড্রেন দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ

কিউআর কোডে লেনদেনে কোনো ফি লাগবে না: অর্থমন্ত্রী

ভূমি সংক্রান্ত প্রচারে ডিসিরা পাবেন ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা

আকিদাগত বিরোধ নাকি ব্যবসায়িক স্বার্থ? বেতবুনিয়ায় ৫৫ বছরের পুরোনো মসজিদ ভাঙা নিয়ে উত্তেজনা

বাংলাদেশে আসছেন না হেম্প, অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে দলে যোগ দেবেন

কমেছে বৃষ্টির প্রবণতা, টানা শুষ্ক আবহাওয়ার আভাস

যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: সালাহউদ্দিন আহমদ

ফেনীর সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ১ মেগাওয়াট

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ জন

হোয়াটসঅ্যাপ খুললেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? ৫ সহজ উপায়ে ঠিক করুন

নতুন এআই মডেল ‘জেমিনি ৪ আর্গন’ আনলো গুগল