ই-পেপার বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২

পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আমার বার্তা অনলাইন:
০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫০
আপডেট  : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫৮

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। আমরা এরইমধ্যে রায়ের সার্টিফায়েড কপি চেয়ে আবেদন করেছি। রায়ের সার্টিফায়েড কপি পেলেই আমরা আপিল দায়ের করা করব।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, হাইকোর্টের এই রায়ের সঙ্গে সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত। তাই আমরা আশা করছি আপিল বিভাগেই এই রায়ের বিষয় ও সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।

এর আগে গতকাল সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। রায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান সুপ্রিম কোর্টের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ১৮৫ পৃষ্টার এ রায় প্রকাশ করেছেন।

রায়ে সরকারকে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় আদেশের তারিখ হতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

রিটের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, এই রায়ের ফলে নিম্ন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের উপর ন্যস্ত থাকবে; রাষ্ট্রপতির উপর নয়।

রায়ে অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে ১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করেছেন হাইকোর্ট।১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুসার, বিচারকর্ম বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগে দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি দান, ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃংঙ্খলাবিধান সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত থাকবে।

এর আগে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এই রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।

বিদ্যমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচারকর্ম বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলাবিধান রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি তা প্রয়োগ করে থাকেন।

১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয় সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল।

১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এই দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত করা হয়। পরে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ‘এবং সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তা প্রযুক্ত হবে’ শব্দগুলো যুক্ত করা হয়।

১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৩৯ ধারা অনুসারে ১১৬ অনুচ্ছেদের সংশোধন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বাতিল করা হলো। একইভাবে ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনী আইনের ১৯ ধারার মাধ্যমে ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনও সাংঘর্ষিক বলে বাতিল করা হলো।

সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী ও ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ের নজির অনুসারে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ১১৬ অনুচ্ছেদ যেভাবে ছিল, সে রকম স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিভাইভ (পুনরুজ্জীবিত) ও সংবিধানে পুনর্বহাল হবে। এই আদালতের রায়ের দিন থেকে এটি কার্যকর হবে।

এ ছাড়া ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

এর আগে বিদ্যমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচার বিভাগীয় পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেনসহ সাত আইনজীবী রিট করেন।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই বছরের ২৭ অক্টোবর রুল দেন। রুলে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং এ-সংক্রান্ত ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় পৃথক সচিবালয় কেন প্রতিষ্ঠা করা হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয় রুলে। আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। রুলের শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

আমার বার্তা/এমই

শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ: আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধ দুদকে আবেদন

অবৈধ প্রক্রিয়ায় ২৮৬ সাব রেজিস্ট্রার বদলি করে শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের সাবেক

সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

দুর্নীতি মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন

সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দ

দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন

৩ মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায়

সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায়
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলেন- স্বীকার করলেন আসিফ নজরুল

কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলক অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

ইবির নবনির্বাচিত কর্মকর্তা সমিতির দায়িত্ব গ্রহণ

আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিল পাস

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে : রাশিয়া

আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধে বিল পাস: সময় চেয়েও সুযোগ পাননি বিরোধীদলীয় নেতা

“বাংলাদেশে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব প্রশমন’’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

জ্বালানি সংকটে শিক্ষা চালু রাখতে সবার মত নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে

সংরক্ষিত আসনে রাজপথের ত্যাগীরাই অগ্রাধিকার পাবেন: চিফ হুইপ

আবারও রণক্ষেত্র ভারতের মণিপুর, শিশুসহ নিহত ৪ জন

পাকিস্তানে ভ্যান্স ও বাঘেরের নেতৃত্বে হবে যুদ্ধবিরতি আলোচনা

পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

অনিয়মিত অভিবাসন রোধে বাংলাদেশের প্রশংসা ইতা‌লির রাষ্ট্রদূতের

জ্বালানি সংকটে শিক্ষা সচল রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে

সরাইলে ড্রেজারের বালু ভরাটে জলাবদ্ধতার শঙ্কা , রক্ষায় এলাকাবাসীর আকুতি

বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার কে এই আরিফ খান?

শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ: আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধ দুদকে আবেদন

চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব: ইসরাফিল খসরু

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতির আলোচনায় পাকিস্তানের ওপর কেন ভরসা রাখল