ই-পেপার বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

নতুন জোট স্প্রিং রেভোলিউশন অ্যালায়েন্স ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

ভাঙ্গনের মুখে ব্রাদারহুড এলায়েন্স
ব্রি. জে. (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দীন:
০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:০৬

২০২১ সালে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে মিয়ানমার গৃহযুদ্ধে জর্জরিত। দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংগঠন (আসিয়ান) মিয়ানমারের সামরিক জান্তা নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলনগুলো থেকে বাদ দেয়, পশ্চিমা দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং আঞ্চলিক অংশীদাররাও সামরিক সরকার থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিতে শুরু করে। বর্তমানে মিয়ানমারে নির্বাচিত সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ চলছে। প্রাক্তন জেনারেল উ অং লিন ডুয়ে, উচ্চকক্ষের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ইউ অং লিন ডুয়ে এই নির্বাচনে মান্দালে অঞ্চল থেকে ইউএসডিপির প্রার্থী হিসেবে উচ্চকক্ষের একটি আসনে জয়লাভ করেন। ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী, উচ্চকক্ষের স্পিকার ইউনিয়ন পার্লামেন্টের সভাপতি হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সভাপতিত্ব করে। মার্চ মাসের শেষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫ – ২৬ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন পরবর্তী কার্যক্রম এখন চলমান রয়েছে এবং চীন সহ বেশ কিছু দেশ এই নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়েছে।

মিয়ানমারের প্রভাবশালী প্রতিবেশী চীন তাদের অর্থনৈতিক করিডোর, সম্পদ আহরণ এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রকল্পগুলো চলমান রাখতে একটি স্থিতিশীল ঐক্যবদ্ধ মিয়ানমারের পক্ষে। এই লক্ষ্য সামনে রেখে চীন মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সাথে সশস্ত্র গুষ্টিগুলোর যুদ্ধ বিরতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি-মিয়ানমারের তথ্যমতে, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের আগে চীন-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্যের গড় পরিমাণ ছিল বছরে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি, যা মিয়ানমারের মোট সীমান্ত বাণিজ্যের ৫৫ শতাংশেরও বেশি। চীনের চাপে দুটি গুরুত্বপূর্ণ জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে মিয়ানমার সরকারের যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদনের পর, অন্যান্য গণতন্ত্রপন্থী শক্তিগুলো কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে এই যুদ্ধবিরতিগুলোতে বোঝা যায় যে, চীন মিয়ানমারে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করছে।

চীনের বাণিজ্য স্বার্থ রক্ষায় মুসে-মান্দালে মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৩ সালের শেষের দিকে টিএনএলএ, এমএনডিএএ এবং আরাকান আর্মি (এএ) একত্রে ‘অপারেশন ১০২৭’ শুরু হওয়ার পর এই বাণিজ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। মান্দালে-মুসে বাণিজ্য পথটি দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত বাণিজ্যের মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে এবং প্রতি বছর এই পথে শত শত কোটি ডলারের পণ্য বাণিজ্য চলে। চীনের সাথে মিয়ানমারের আনুষ্ঠানিক সীমান্ত বাণিজ্যের বেশীরভাগই মান্দালে-মুসে দিয়ে হয়, তাই এই পথের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা চীনের জন্য একটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। মুসে-মান্দালে রেল সংযোগের একটি প্রধান কেন্দ্র হলো কুটকাই। কুটকাইয়ের ওপর এমএনডিএএ’এর নিয়ন্ত্রণ মুসে-মান্দালে রেলপথের কাজের অগ্রগতির সুযোগ এনে দিয়েছে। ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথ চীন ও মিয়ানমারের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার উদ্দেশে নির্মিত হয়েছে। এর দক্ষিণমুখী সম্প্রসারণ রাখাইন রাজ্যের চকপিউ গভীর সমুদ্রবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত, যা চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রদেশগুলোকে ভারত মহাসাগরে প্রবেশের সুযোগ করে দেবে।

‘অপারেশন ১০২৭’ এর সময় দখল হওয়া, শান রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শহর কুটকাই তা'আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) দ্বারা যৌথভাবে শাসিত হচ্ছিল। সম্প্রতি এমএনডিএএ বাহিনী টিএনএলএ-কে কুটকাই থেকে সরিয়ে দিয়েছে। কুটকাইয়ের এই সংঘর্ষ ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের ভাঙ্গনকে স্পষ্ট করে দিয়েছে। শহরটি চীন-মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য করিডোরের পাশে অবস্থিত এবং আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য ও চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর (সিএমইসি) এর উন্নয়নের জন্য এর কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। টিএনএলএ নামখামেও ক্রমবর্ধমান চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। নামখাম চীনের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সাথে যুক্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর, যার মধ্যে বিআরআই’এর অধীনে প্রধান আন্তঃসীমান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোও অন্তর্ভুক্ত।

টিএনএলএ যদি নামখাম হারায়, তবে চীনের জন্য উল্লেখযোগ্য কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন কোনো এলাকাই তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। টিএনএলএ’র মুখপাত্ররা বেইজিং-এর মধ্যস্থতার ভূমিকা নিয়ে বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করায় চীন এমএনডিএএ কে বেছে নিয়েছে। কুটকাই ও অন্যান্য এলাকায় এমএনডিএএ’এর ক্রমবর্ধমান প্রভাব এই পথের নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হবে। চলমান পরিস্থিতিতে টিএনএলএ’র অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে। চীনের চাপের মুখে তাঁরা ‘অপারেশন ১০২৭’-এর সময় দখল করা নাউংকিও, সিপাও এবং কিয়াউকমে-সহ বেশ কয়েকটি শহর ছেড়ে দেয়াতে চীন-মিয়ানমার বাণিজ্য করিডোরে তাদের প্রভাব কমে গেছে।

চীনের জন্য তার সীমান্তে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর মোকাবিলা করা সমস্যা সংকুল তাই চীন একটি সশস্ত্র দলের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে তার স্বার্থ সংরক্ষণে নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।এমএনডিএএ উত্তর শানের অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় চীনের সাথে ঘনিষ্ঠতর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং চীনা বাজারের সাথে যুক্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এমএনডিএএ কুটকাইয়ের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার পর লাশিও-মুসে বাণিজ্য প্রবাহ পুনরায় চালু হয়েছে।

থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের মধ্যেকার সম্পর্কের অবনতি উত্তর মিয়ানমারের সবচেয়ে প্রভাবশালী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চীনের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। অপারেশন ১০২৭ শুরু হওয়ার পর থেকে চীন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে এবং জাতিগত শক্তি ও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে বারবার হস্তক্ষেপ করেছে। এমএনডিএএ এবং টিএনএলএ থ্রি ব্রাদারহুড এলায়েন্সের প্রধান দুই সদস্য। বর্তমানে তাঁরা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত। প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার অন্তর্দ্বন্দ্ব তাদের ঐক্যকে দুর্বল করে। একটি বিভক্ত প্রতিরোধ বাহিনী ভবিষ্যৎ আলোচনায় শাসকগোষ্ঠীকে একে অপরের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি করবে। মিয়ানমারের গণতন্ত্রের পথে উত্তরনের পাশাপাশি চীনের চাপে থ্রি ব্রাদারহুড এলায়েন্সের ভাঙ্গন এবং একই সাথে বিভিন্ন জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনগুলো নতুন করে সংগঠিত হওয়ার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। এরা সবাই শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল মিয়ানমারের পক্ষে। তবে তা নিশ্চিতে মিয়ানমারের এই নির্বাচিত সরকারকে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

অস্থিতিশীল মিয়ানমার প্রতিবেশী ভারত ও থাইল্যান্ডের জন্য সীমান্তে নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং শরণার্থী সংকট বাড়িয়ে দিবে। মিয়ানমারের জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার জন্য একটি কার্যকর যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার পক্ষে। বেশিরভাগ জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য এলাকা নিয়ন্ত্রণ করলেও সম্পূর্ণরূপে শাসন করার মতো রসদ সরবরাহের সক্ষমতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং অর্থনৈতিক অবকাঠামো নেই। বর্তমানে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের পাশাপাশি, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও অঞ্চলের সশস্ত্র গুষ্ঠিগুলোর মধ্যে ইতিবাচক সহযোগিতার মনোভাব দেখা যাচ্ছে এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ আগে তারা যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ১৯টি প্রতিরোধ গোষ্ঠী একত্রে স্প্রিং রেভোলিউশন অ্যালায়েন্স (এস আর এ) গঠন করেছে। জাতিগত বামার যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত একটি নতুন গোষ্ঠী বামার আর্মি (বি এ) ও এতে যোগ দিয়েছে। এসআরএ’র তথ্য মতে তাদের প্রায় ১৫,০০০ সৈন্য রয়েছে। এসআরএ কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি (কে আই এ), কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ), কারেন্নি আর্মি (কে এ), টিএনএলএ, এমএনডিএএ এবং এএ-এর মতো প্রধান প্রতিরোধ আন্দোলনকারী সংগঠনগুলোর সমর্থন ও স্বীকৃতি পেয়েছে। জোটটি সামরিক ও রাজনৈতিক কৌশল সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে কারেন, কারেন্নি, কাচিন ও চিন (কে ৩ সি) এবং এনইউজি-কে নিয়ে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করে কয়েক দশকের অভ্যন্তরীণ বিভাজন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে। সশস্ত্র গুষ্ঠিগুলোর মধ্যে ঐক্য জোরদার করা এবং অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে একত্রিত করার জন্য ২০২৬ সাল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর। এসআরএ ইতোমধ্যে কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যকার বিরোধের ও মধ্যস্থতা করেছে। চলমান প্রেক্ষাপটে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকার দেশের ক্ষুদ্র জনগুষ্ঠিগুলোর মধ্যকার সংঘাত ও অসন্তোষ রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবে বলে আশা করা যায়।

মিয়ানমারের সাথে চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক স্বার্থ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। চীন তার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষে লিপ্ত দলগুলোকে চাপ প্রয়োগ করে মিয়ানমার সরকারের সাথে যুদ্ধ বিরতিতে বাধ্য করে তার স্বার্থ নিশ্চিত করার কাজ চলমান রেখেছে। এর ফলে নতুন সরকার তাদের অবস্থান সুসঙ্ঘত করতে সুযোগ পাবে ও ভাঙ্গনের মুখে পড়া সশস্ত্র বিদ্রোহীদলগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। তবে নতুন করে সংগঠিত বিদ্রোহী গুষ্ঠিগুলোর জোট তাদের এই প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলবে। মিয়ানমার সরকার আন্তরিকতার সাথে রাজনৈতিকভাবে এই সংকটের মোকাবেলা করতে সক্ষম হলে মিয়ানমারে শান্তি ফিরে আসবে বলে আশা করা যায়।

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী দেশ থাইল্যান্ডও মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক যোগাযোগ চলমান রেখেছে। চীন এবং থাইল্যান্ডের মত ভারত ততটা সুবিধা করতে পারছে না। মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ভারতের লুক ইস্ট নীতির বাস্তবায়ন ধীর করে দিয়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে ভারতের কালাদান প্রজেক্টের কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। একই সাথে মিয়ানমার ও মণিপুরের গৃহযুদ্ধের কারনে মোরেহ্-তামু দিয়ে ভারতের সাথে থাইল্যান্ডের মায়েসট পর্যন্ত হাইওয়ের বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যেকার রোহিঙ্গা সমস্যা এখনও কোন সমাধানের পথে আগাচ্ছে না এবং এর পাশাপাশি মিয়ানমারের সাথে যে সামান্য বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছিল তা ও ব্যহত হচ্ছে। মিয়ানমার পরিস্থিতি শান্ত না হলে এই অঞ্চলের উন্নয়ন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে মিয়ানমারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগ গতি পাবে না। মিয়ানমারের নতুন সরকার চলমান বৈশ্বিক সহিংসতার মধ্যেও তাদের দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট হবে এটাই প্রত্যাশা।

লেখক: মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক।

আমার বার্তা/ব্রি. জে. (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দীন/এমই

দেশে তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগবিহীন সংসদ

বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগকে ছাড়া জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছে। উল্লেখ্য ২০২৬ সালের

জিয়াউর রহমান এক অবিনাশী দ্রোহের মহাকাব্য

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের সেই কৃষ্ণপক্ষীয় রজনীটি ছিল এক বিভীষিকার প্রগাঢ় অন্ধকার। যখন ঢাকার আকাশে

ডেটা লোকালাইজেশন ও গ্লোবাল ক্লাউডের নীতিগত সংঘাত এবং বাংলাদেশের পথচলা

ডিজিটাল যুগে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নতুন মাপকাঠি হয়ে উঠেছে ডেটা। কে ডেটা নিয়ন্ত্রণ করছে, কোথায় তা

নতুন সরকারের এক মাস: চমক ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশে এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের প্রথম ৩০ দিন অতিক্রান্ত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এ পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৬৫ মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী

দেশের চার জেলার ডিসি প্রত্যাহার করেছে সরকার

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে সব পদক্ষেপ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বিগ ব্যাশ মাতিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বর্ষসেরা ক্রিকেটার রিশাদ

রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হামে আক্রান্ত হয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

ঢাকা জেলা পরিষদের নতুন জেলা প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ

সংসদে ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণে দ্রুত এগোচ্ছে কাজ: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী

মূল্যস্ফীতি নয় বরং লোকাল অর্থনীতি সচল করবে ফ্যামিলি কার্ড

হিট প্রকল্পের অগ্রগতি মাঝারি মানের সন্তোষজনক: বিশ্বব্যাংক

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক নয়, ব্যক্তি আন্দোলনে রূপ দিতে চাই: সড়কমন্ত্রী

জবিতে ছাদের পলেস্তারা খসে দুই শিক্ষার্থী আহত, সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ

নতুন জোট স্প্রিং রেভোলিউশন অ্যালায়েন্স ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

উন্নয়নের নামে ক্রীড়ায় মেগা দুর্নীতি হয়েছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

উপনির্বাচন উপলক্ষে দুই আসনে ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি

রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মানুষ ও যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি করলে কঠোর অভিযান: ডিসি তেজগাঁও

ইরান ইস্যুতে ঢাকার বিবৃতি নিয়ে তেহরান সন্তুষ্ট নয়: রাষ্ট্রদূত