
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের হিসাবে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৪১৩ রান বড় পুঁজিই মনে হতে পারে। তবে ঘাসের পিচে যে বড় রান উঠবে সেই ধারণা আগে থেকেই ছিল। সফরকারী পাকিস্তানও সেই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছে ব্যাটিংয়ের শুরু থেকেই। এখন পর্যন্ত ক্রিজে আসা তিন ব্যাটারই রান পেয়েছেন। এর মধ্যে অভিষিক্ত ওপেনার আজান আওয়াইস তুলে নিয়েছেন স্মরণীয় সেঞ্চুরি। যাতে ভর করে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২১০ রান।
সেঞ্চুরি পূর্ণ করার একটু পরেই আজানকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দিনের প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। এর আগে ২১ বছর বয়সী পাকিস্তানি এই ব্যাটার ১৫৩ বলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেন। ১৬৫ বলে ১০৩ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৪টি চারের বাউন্ডারিতে। তৃতীয় দিনের পঞ্চম ওভারে নাহিদ রানার বলে সিঙ্গেল রান নিয়ে আজান ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান।
এদিকে, তাসকিন ম্যাচের প্রথম সাফল্য পেলেন আজকের (রোববার) দিনে দ্বিতীয় ওভার করতে এসে। শর্ট লেন্থে অফ স্টাম্পের কিছুটা বাইরে ফেলেছিলেন বলটি, তাতে শট খেলতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিলেন আজান। গতকালের ক্যাচ পতন ও মিস ফিল্ডিংয়ের হতাশার পর আজ নাজমুল হোসেন শান্ত ভালো ক্যাচ ধরেছেন। দ্রুতগতিতে আসা বল প্রায় কাঁধ সমান উঁচু থেকে তালুবন্দী করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
অভিষিক্ত সেঞ্চুরিয়ান আজানকে ফিরিয়ে তাসকিনের ব্রেকথ্রু
আজান ফেরার পর আরেক অভিষিক্ত ব্যাটার আব্দুল্লাহ ফজলও ১০২ বলে ফিফটি তুলে নেন। এর আগে দ্বিতীয় দিন শেষে আজান ৮৫ এবং ফজল ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। আর পাকিস্তান তুলেছিল ১ উইকেটে ১৭৯ রান। দুই অভিষিক্ত ব্যাটারের জুটিটা দীর্ঘ হয়েছে ১০৪ রান পর্যন্ত। এর আগে ইমাম-উল-হকের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে ১০৬ রান যোগ করেন আজান। ইমাম আউট হন ৪৫ রান করে।
এর আগে প্রায় দেড়দিন প্রথম ইনিংসে ব্যাট করেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক শান্ত’র ১০১, মুমিনুল হকের ৯১ এবং মুশফিকুর রহিমের ৭১ রানে ভর করে স্বাগতিকরা ৪১৩ রান তোলে। পাকিস্তানের পক্ষে ৫ উইকেট নেন মুহাম্মদ আব্বাস।

