
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউএনডিপি-এর একটি প্রতিনিধি দল।
রোববার (১৯ জুলাই) ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে তারা সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, সংসদীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার কী কী উদ্যোগ গ্রহণ করা যায় সেসব বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, সমাজ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চাহিদারও পরিবর্তন ঘটে। পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য আইনেরও সংশোধনের প্রয়োজন হয়।
ডেপুটি স্পিকার সংসদের লাইব্রেরিতে সস্য সমাপ্ত গ্রাজুয়েটরা যেন পার্লামেন্টারি ফেলোশিপ/ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম করে তাদের অর্জিত জ্ঞানকে আরো বৃদ্ধি করতে পারে সে ব্যাপারে ইউএনডিপি-এর প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।
সংসদের কোনো প্রকল্প নেওয়ার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্য কোনো সংস্থার প্রকল্পের সঙ্গে যেন ডুপ্লিকেশন না হয় সে বিষয়ে তার মতামত তুলে ধরেন। ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতার ব্যাপারে ডেপুটি স্পিকার ইউএনডিপি-এর কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
ইউএনডিপি বাংলাদেশ ও নেপাল পার্লামেন্টের সংসদ সদস্যদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব করলে ডেপুটি স্পিকার সহমত পোষণ করেন।
সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে ইউএনডিপি কর্তৃক জাতীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আয়োজনের উদ্যোগের বিষয়টিতে ডেপুটি স্পিকার ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন।
ইউএনডিপি-এর ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দায়ারত্নের নেতৃত্বে সিনিয়র গভার্নেন্স অ্যাডভাইজার দ্রাড়ান পপভিচ, সিনিয়র গভর্নেন্স স্পেশালিস্ট তানভীর মাহমুদ, প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান এবং জাতীয় সংসদ সবিচালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।
আমার বার্তা/এমই

