ই-পেপার রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণে শুরু হলো নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস

মো. নূর আলম:
০৭ জুন ২০২৬, ১১:২৯

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন রূপ দিতে এবং তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নামক বছরব্যাপী একটি বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন গত ২ মে ২০২৬ তারিখে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে সম্পন্ন হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই দেশব্যাপী বৃহৎ ক্রীড়া কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার সুষম পরিবেশ তৈরি করে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ করা। একই সাথে মাঠ পর্যায় থেকে প্রতিভাবানদের বাছাই করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের মেধা বিকাশের স্থায়ী সুযোগ সৃষ্টি করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমান সময়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ, সুন্দর, আত্মবিশ্বাসী এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলার মাঠের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই কর্মসূচি শিশু-কিশোরদের কেবল শারীরিক সক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং তাদের মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশের পাশাপাশি দলগত চেতনা, নেতৃত্ব গুণ এবং কঠোর শৃঙ্খলাবোধ বৃদ্ধিতেও সরাসরি সহায়তা করবে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত এই ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচিটি মূলত ক্রীড়া পরিদপ্তরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দেশের প্রতিটি প্রান্তে বাস্তবায়িত হবে। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সুশৃঙ্খল প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করার মাধ্যমে তাদের ভেতরের ক্রীড়া প্রতিভাকে জাতীয় স্তরে নিয়ে আসাই এই উদ্যোগের প্রধান চালিকাশক্তি।

এই দেশব্যাপী ক্রীড়া আয়োজনে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য মোট আটটি নির্দিষ্ট ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। ইভেন্টগুলো অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার এবং মার্শাল আর্ট। এই বহুমুখী ইভেন্টগুলোর মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের সর্বস্তরের কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভার সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব হবে। এই কর্মসূচির আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দেশের সাবেক খেলোয়াড় এবং অভিজ্ঞ ক্রীড়া সংগঠকদের এই প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা। তাদের দীর্ঘদিনের মাঠের অভিজ্ঞতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল থেকে মেধা অন্বেষণ সহজতর হবে। এই অভিজ্ঞ মহলের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে আগামী দিনের জন্য অত্যন্ত দক্ষ ও পেশাদার খেলোয়াড় তৈরি করা সম্ভব হবে।

তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই কার্যক্রমের প্রাথমিক ধাপটি শুরু হবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন এবং সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ডভিত্তিক দল গঠনের মধ্য দিয়ে। তৃণমূলের এই দল গঠনের পর পর্যায়ক্রমে উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। প্রতিযোগিতার মান এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য একটি বিশেষ নিয়ম আরোপ করা হয়েছে, যার অধীনে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বা বিকেএসপিতে অধ্যয়নরত কোনো নিয়মিত খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এর ফলে সাধারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-বঞ্চিত নতুন খেলোয়াড়রা কোনো প্রকার অসম প্রতিযোগিতা ছাড়াই নিজেদের মেধা প্রদর্শনের সমান সুযোগ পাবে।

এই দেশব্যাপী প্রতিযোগিতাকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য দেশের ৬৪টি জেলাকে মোট ১০টি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। এই অঞ্চলগুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী এবং ময়মনসিংহ। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ দেশব্যাপী সুশৃঙ্খল ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কমিটি তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত এই কার্যক্রমের সুষ্ঠু ও সফল বাস্তবায়নে জাতীয়, আঞ্চলিক, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে পৃথক পৃথক শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিগুলো প্রতিটি স্তরে খেলাধুলার পরিবেশ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরাসরি কাজ করবে।

প্রতিযোগিতার প্রতিটি স্তরে ইভেন্টসমূহ সুচারুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করার নির্দেশ প্রদান করেছে। প্রথমত, দলীয় ইভেন্ট যেমন ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি এবং ব্যাডমিন্টনের প্রতিযোগিতাগুলো প্রতিটি পর্যায়ে অর্থাৎ উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক এবং জাতীয় স্তরে সম্পূর্ণ নকআউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয়ত, বুদ্ধিভিত্তিক খেলা দাবা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সুইস লিগ পদ্ধতি কঠোরভাবে অবলম্বন করা হবে, যা খুদে খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক নিয়মের সাথে অভ্যস্ত করবে। তৃতীয়ত, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টের মতো ব্যক্তিগত ইভেন্টগুলোর ক্ষেত্রে প্রাথমিক বাছাই বা হিট এবং নকআউট পর্বের আয়োজন করা হবে এবং পরবর্তীতে চূড়ান্ত ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে বিজয়ীদের ফলাফল নির্ধারণ করা হবে।

পুরো দেশের এই বিশাল ক্রীড়া কর্মযজ্ঞটি তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত মোট চারটি সুনির্দিষ্ট স্তরে অনুষ্ঠিত হবে, যা হলো উপজেলা পর্যায়, জেলা পর্যায়, আঞ্চলিক পর্যায় এবং জাতীয় পর্যায়। প্রথম স্তরে অর্থাৎ উপজেলা পর্যায়ে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা আন্তঃইউনিয়ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সরাসরি অংশগ্রহণ করবে। উপজেলার অধীনে থাকা পৌরসভাগুলোতে ইউনিয়ন পর্যায়ের মতোই পৃথক পৃথক দল গঠন করা হবে এবং উক্ত দলসমূহ কোনো বাধা ছাড়াই সরাসরি উপজেলা পর্যায়ের মূল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। এই ব্যবস্থার ফলে গ্রামীণ এবং আধা-শহুরে অঞ্চলের কিশোরদের মধ্যে একটি চমৎকার প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য প্রতিযোগিতার রূপরেখা কিছুটা ভিন্ন এবং সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোতে সরাসরি আন্তঃওয়ার্ড প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে এবং এই প্রতিযোগিতার সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা থানা। তবে যেসব সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষা থানা নেই, সেখানে শূন্যতা পূরণের জন্য সিটি কর্পোরেশনের সরাসরি সহযোগিতায় স্থানীয় জেলা ক্রীড়া অফিসার এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। এর ফলে শহরাঞ্চলের প্রতিটি ওয়ার্ডের কিশোরদের এই জাতীয় কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা নিশ্চিত হবে।

উপজেলা এবং শিক্ষা থানা পর্যায়ের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা শেষে যে সেরা খেলোয়াড়রা নির্বাচিত হবে, তাদের সমন্বয়ে বিশেষ দল গঠন করা হবে এবং এই দলসমূহ পরবর্তী স্তর অর্থাৎ জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। এর পাশাপাশি জেলা সদরের যে পৌরসভাগুলো রয়েছে, তারা সরাসরি নিজস্ব দল গঠন করতে পারবে। জেলা সদরের এই পৌরসভা দলসমূহ উপজেলা পর্যায় থেকে উঠে আসা দলগুলোর সাথে জেলা ভিত্তিক মূল প্রতিযোগিতায় সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবে। এই দ্বিমুখী ব্যবস্থার ফলে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার মান এবং উত্তেজনা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

জেলা পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্য থেকে কঠোর মূল্যায়নের মাধ্যমে বাছাইকৃত সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে একটি সমন্বিত জেলা দল গঠন করা হবে। এই জেলা দলগুলো পরবর্তীতে নিজেদের অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। দেশের ১০টি অঞ্চল থেকে উঠে আসা এই আঞ্চলিক দলগুলোকে নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। দেশব্যাপী এই সুদীর্ঘ এবং সুশৃঙ্খল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে দেশের সেরা খেলোয়াড়দের নির্বাচিত করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে বাছাইকৃত সেরা খেলোয়াড়দের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং উন্নত ক্রীড়া নৈপুণ্য অর্জনের বিশেষ সুযোগ থাকবে। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির সুযোগ তৈরি হবে।

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর সকল ইভেন্ট ও কার্যক্রম উপজেলা বা শিক্ষা থানা, জেলা, আঞ্চলিক এবং জাতীয় পর্যায়ে গঠিত সুনির্দিষ্ট কমিটিগুলোর প্রত্যক্ষ আয়োজন, ব্যবস্থাপনা এবং নিবিড় তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এই অনুমোদিত কমিটিসমূহ প্রতিযোগিতার জন্য উপযুক্ত খেলার মাঠ নির্বাচন, দক্ষ ও নিরপেক্ষ রেফারি বা আম্পায়ার নিয়োগ এবং প্রতিযোগিতার সার্বিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য আইনগত ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা শৃঙ্খলভঙ্গ যেন এই জাতীয় উদ্যোগকে ব্যাহত করতে না পারে, সে ব্যাপারে মন্ত্রণালয় থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সিলেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী যে ক্রীড়া জোয়ারের সূচনা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। সরকারের এই নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন গ্রামীণ সমাজ থেকে মাদক, কিশোর অপরাধ এবং মোবাইল আসক্তি দূর করতে অন্যতম সামাজিক হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে যে সুসংগঠিত পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে, তা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে। তৃণমূলের এই নিবিড় মেধা অন্বেষণ প্রক্রিয়াই আগামী দিনে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে একটি শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।

লেখক: জনসংযোগ কর্মকর্তা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। পিআইডি ফিচার

আমার বার্তা /জেএইচ

সিঙ্গেল স্ক্রিন বন্ধ করে দেওয়া হোক

বাংলা সিনেমা গল্প আর নির্মাণের শক্তিতে সফল হওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু দর্শক খরা আর চরম

৩০ মে: বেদনাবিধুর বাংলাদেশ

বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু দিন আছে, যেগুলো কেবল ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়—একটি জাতির আবেগ, বেদনা ও স্মৃতির

“মসজিদের পাশে কবর”: নজরুলের স্বপ্ন, আমাদের দায়বোধ

আজ জাতীয় কবি Kazi Nazrul Islam- এর জন্মদিন। বাংলা সাহিত্য, সংগীত, মানবতা ও বিদ্রোহী চেতনার

তারেক রহমান সরকারের তিন মাস

গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে “প্রথম ১০০ দিন” একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী সময়। সাধারণত নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কেবল গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

নাগরিকত্ব যাচাইয়ে বাংলাদেশকে ২৬৮০ জনের তালিকা পাঠাল ভারত

চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

রামিসা হত্যার রায় ৩ মাসের মধ্যে কার্যকরের আশা আইনমন্ত্রীর

দক্ষতাভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক: অ্যাটর্নি জেনারেল

রায়ে খুশি, দ্রুত কার্যকর চাই: রামিসার বাবা

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াব: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে ট্রেনের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা-স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড

ঈদ যাত্রায় সড়ক-রেল-নৌপথে ৪৪২ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮ জন

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ : ট্রাইব্যুনালে দীপু মনি-রুপা-বাবুসহ ৯ আসামি

তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণে শুরু হলো নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস

ওপেনএআইতে মালিকানা নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, ইঙ্গিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের

বিসিবিতে আজ আমেজহীন আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার নির্বাচন

জব্দ ইরানি অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত মিত্র দেশগুলোকে দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

টানা ৯ ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপে মাঠে নামছে জার্মানি

তিন দিনের সফরে রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

ঘুষি মেরে লাল কার্ড, বিশ্বকাপে কি খেলতে পারবেন পর্তুগাল ফরোয়ার্ড?

ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ধনকুবের