ই-পেপার রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাংলাদেশেকে লুক ইস্ট পলিসি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে

ব্রি. জে. (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দীন:
০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৩:৩১

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। বাংলাদেশের পূর্বদিকের একমাত্র প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে এই সংকটের সৃষ্টি হলে ও দীর্ঘ নয় বছর ধরে বাংলাদেশ এই সমস্যা বয়ে বেড়াচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারনে প্রতিবেশী পরিবর্তন সম্ভব না হলেও প্রতিবেশীর সাথে সুসম্পর্ক অনেক সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। আন্তদেশীয় সংযোগ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশ আশির দশকেই শুরুতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাকে প্রাধান্য দিয়েছিল। বাংলাদেশের সাথে পূর্ব এশীয় দেশগুলোর উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি কমিয়ে, দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা সম্পর্ক গভীর করার লক্ষ্যে ২০০১-২০০২ সালে বাংলাদেশ একটি কৌশলগত পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করে যা 'লুক ইস্ট' পলিসি হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের লুক ইষ্ট পলিসির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা। আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সুযোগ কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে পূর্বের দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে পশ্চিমা বাজার ও ভারতীয় বাণিজ্যের ওপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা কমিয়ে আসিয়ান দেশগুলো, চীন, জাপান ও কোরিয়ার মতো দেশগুলো থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং একই সাথে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। এটি আঞ্চলিক নির্ভরশীলতার ভারসাম্য রক্ষাকারী হিসেবে, বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতা নিরসন এবং নিরাপত্তা সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন। এই নীতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি মূল ভিত্তি হিসেবে রয়েছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তার মাধ্যমে আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর সে ধারনাকে নতুন রূপ দিয়েছে। মাঠপর্যায়ে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের মাধ্যমে এই পলিসি সফলতার মুখ দেখবে। বাংলাদেশ নিজেকে আস্থাভাজন অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে উন্নয়ন সহযোগিতা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং বাজার—সব ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

লুক ইষ্ট পলিসি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ মিয়ানমার সম্পর্ক উন্নয়ন জরুরী হলেও বাংলাদেশ মিয়ানমার সম্পর্কের টানাপোড়েন এখনও চলছে। মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ বন্ধে নির্বাচিত সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোন রাজনৈতিক সমাধান আসেনি। রাখাইন রাজ্যের বেশীরভাগ এলাকা আরাকান আর্মির দখলে থাকলেও সেখানে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধানে অগ্রগতি নেই এবং নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ চলছে। বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির কারনে সীমান্ত পরিস্থিতিও অস্থিতিশীল। নাফ নদীতে আরাকান আর্মির সদস্যারা বাংলাদেশী জেলেদের জীবিকা হুমকিতে ফেলছে। বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে নতুন করে সহিংসতা নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। রাখাইনের জনগণ ও আরাকান আর্মির সাথে এখন ও তেমন কোন ফলপ্রসূ আলোচনা বা যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মাদক ও অস্ত্র পাচার, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে বাংলাদেশ ব্যবস্থা নিলেও তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের দৃশ্যমান দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আসেনি। বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা কমে যাওয়া সংকটে আরও নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একই সাথে প্রত্যাবাসন বিষয়ে নতুন কোন অগ্রগতি নেই। সব মিলিয়ে মিয়ানমারের সাথে সম্পর্ক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। রাখাইনের জনগণ ও আরাকান আর্মির সাথে এখনও তেমন কোন ফলপ্রসূ আলোচনা বা যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। রাখাইনের জনগণ ও আরাকান আর্মির সাথে সুসম্পর্কের অভাব বাংলাদেশ - মিয়ানমার সম্পর্ক উন্নয়নের পথে চ্যালেঞ্জ।

মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মহলে কূটনৈতিক ভাবে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে জেনারেল মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদেশ সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে ভারত সফর করে। এই সফরের মাধ্যমে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশের স্বীকৃতি পাচ্ছে। নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বে গ্রহণযোগ্যতা আদায়ের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী দেশের প্রধান যোগাযোগ ও বাণিজ্য পথগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। এই পথগুলো এতদিন স্থানীয় সশস্ত্র গুষ্টির নিয়ন্ত্রণে ছিল। চীন সীমান্তসংলগ্ন কাচিন রাজ্য, ভারত সীমান্তবর্তী চিন রাজ্য এবং থাইল্যান্ড সীমান্তঘেঁষা কারেন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্রগুলো এখন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ্য । তারা উত্তর চিন এবং পার্শ্ববর্তী সাগাইং অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য দ্রুত চালু করবে। মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর চীন ও থাইল্যান্ডের সাথে আলোচনার মাধ্যমে পূর্ব ও উত্তরের সশস্ত্র গুষ্ঠিগুলোকে অনেকটা তাঁদের নিয়ন্ত্রণে এসে ব্যবসায়িক ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী ভারতীয় সীমান্তবর্তী উত্তর চিন রাজ্যের একটি কৌশলগত শহর টনজাং পুনরুদ্ধার করেছে, যা সেখানকার বাণিজ্য পথের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মিয়ানমার সেনাবাহিনী ভারত থেকে চিন ও আরাকানে পণ্য সরবরাহ পথ মিজোরাম সীমান্তের একটি প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র রিহকাওদার নিয়ন্ত্রন নিতে আক্রমণ চালাচ্ছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী পালেতোয়া শহর দখল নিতে পারলে ভারত থেকে চিন রাজ্য হয়ে রাখাইনে আসার সরবরাহ পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে আরাকান আর্মি চাপে পড়বে এবং রাখাইনে খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে এবং স্থানীয় জনগণ সংকটের কবলে পড়বে।

বাণিজ্য পথ ও সীমান্ত বাণিজ্য নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি মিয়ানমার সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের কৌশলগত অবস্থানগুলোতে আক্রমণ চালাচ্ছে। চীন ও থাইল্যান্ড সীমান্ত এলাকার বিদ্রোহী দলগুলোর সাথে যুদ্ধ বিরতির পর মিয়ানমার সেনাবাহিনী ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় তাঁদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং নতুন করে রোহিঙ্গা আগমনের মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সাথে চলমান সশস্ত্র সংঘাত দমনে মিয়ানমার সরকারের ভারতের সহযোগিতা দরকার হবে। অন্যদিকে একটি শান্ত ও স্থিতিশীল মিয়ানমার এই অঞ্চলে ভারতের স্বার্থরক্ষায় ইতিবাচক ভুমিকা রাখবে বিধায় ভারত মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের অবসান চায়। ভারতের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর এমন কোনো কাজে মিয়ানমারের মাটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট জেনারেল মিন অং হ্লাইং ভারতকে আশ্বস্ত করেছে। অন্যদিকে মিয়ানমারের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতার প্রতি ভারত সমর্থন দিয়ে যাবে বলে ভারত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়া মিয়ানমারের অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ, ভারত, চীন ও থাইল্যান্ড তাঁদের নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে ও বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকেও মিয়ানমারের সাথে নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে।

লুক ইষ্ট পলিসি বাংলাদেশের জন্য নানা সম্ভাবনার সুচনা করতে পারে। বর্তমানে চীন বাংলাদেশকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং ব্রিকস জোটের সদস্যপদ অর্জনের বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এই সফরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোর নির্মাণের বিষয়ে এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রস্তাবিত করিডোরটি চীনের কুনমিং থেকে মিয়ানমারের মান্দালয় হয়ে ইয়াঙ্গুন ও রাখাইন রাজ্যের গভীর সমুদ্রবন্দর চকপিউ কে সংযুক্ত করবে এবং পরবর্তীতে তা বাংলাদেশে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার পর্যন্ত যাবে। এরফলে স্থল পথে চীন চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করতে পারবে। এই করিডোর বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক এগিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবস্থান আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে সরকার আশাবাদী। আসিয়ানের সদস্যপদ পাওয়ার প্রচেষ্টায়ও মালয়েশিয়া বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে। রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া নীতিগতভাবে একযোগে কাজ করার কথা ব্যক্ত করেছে।

বাংলাদেশ মিয়ানমারের সাথে মধ্যেকার বাণিজ্য এখনও খুবই সীমিত হলেও দুদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করার করার সুযোগ রয়েছে। মিয়ানমার বিভিন্ন শিল্পের জন্য কাঁচামালের একটি প্রধান সরবরাহকারী হতে পারে। বাংলাদেশের অনেক পণ্য রয়েছে যা মিয়ানমারে সফলভাবে বাজারজাত করা সম্ভব। মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলে নিজেদের পণ্য পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অর্থনৈতিক স্বার্থও রয়েছে। মিয়ানমারের মাধ্যমে থাইল্যান্ড এবং চীনসহ অন্যান্য দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় উন্নত দেশগুলোতে পণ্য পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

এসব বাস্তবায়নে বাংলাদেশ মিয়ানমার ফ্রেন্ডশিপ রোডের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার এবং চিন রাজ্যের পালেতোয়ার সাথেও সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। চীন – মিয়ানমার - বাংলাদেশ রেল সংযোগ এই অঞ্চলের সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উম্মোচনে অবদান রাখতে পারে। মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে যা অনেকটা অবহেলিত। একই সাথে রাখাইন জনগণ ও আরাকান আর্মির সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসলে সামনের দিনগুলোতে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও সহজ হবে বলে আশা করা যায়। আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি সহযোগিতার জন্য মিয়ানমারের সাথে একটি স্থিতিশীল অংশীদারিত্ব অপরিহার্য, যদিও তা রোহিঙ্গা সংকটের মতো নিরাপত্তা সমস্যায় স্থবির হয়ে আছে। বাংলাদেশের বৃহত্তর ‘লুক-ইস্ট’ উদ্যোগের সাফল্যের জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা একটি পূর্বশর্ত।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সাথে সংযোগই হবে সামনের দিনগুলোতে উন্নত এশিয়া অঞ্চলের ভবিষ্যৎ। চলমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীলতা অর্জনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের জনগণ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশকে মিয়ানমারের সাথে নতুন করে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে হবে। ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মিয়ানমার বিষয়ক গবেষক, একাডেমিশিয়ান ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সব মিলে একটা সমন্বিত কমিটি গঠন করে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির সাথে যোগাযোগ, সম্পর্ক উন্নয়ন ও সংকট সমাধানে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং এর ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে।

লেখক: মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক।

প্রতিযোগিতার মাঠেই যোগ্যতার পরীক্ষা

আসসালামুআলাইকুম। সুপ্রভাত। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস।  নতুন সপ্তাহের প্রথম সকালে মনে হলো, আজকের কথাটি শুরু করা যাক

৩৬ জুলাই : জাতির মুক্তির দিন

ক্যালেন্ডারেরও সীমাবদ্ধতা আছে। সে মাস গুনতে জানে, দিন গুনতে জানে, কিন্তু মানুষের জেগে ওঠার হিসাব

মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকারঃ রোহিঙ্গা সংকটে কোন নির্দেশনা নেই

২০২১ সালে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষমতা গ্রহণের  পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ  ছড়িয়ে

অনাবাসযোগ্য ঢাকার আর্তনাদ: দায় কার, মুক্তির পথ কোথায়?

"যে শহর যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়নি, সেই শহরই যদি মানুষের বসবাসের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠিন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশ চালাতে ব্যর্থ হলে সমালোচনা করবেন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বিদেশে ঘুরতে ডলারের ঝামেলা শেষ, টাকায় মিলবে ভ্রমণ প্যাকেজ

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

জলবায়ু প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

অবশেষে নিরাপদে ঢাকায় ফিরলো রোমে আটকে থাকা বিমানের সেই ফ্লাইট

বন্যার্তদের ঘরের চাবি তুলে দিতে বাঁশখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে অনেক সমস্যার সমাধান হবে: ভারতীয় হাইকমিশনার

দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

চাঁদপুরে হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ

বাংলাদেশেকে লুক ইস্ট পলিসি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে

দুদকের জালে শ্রীনগর উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা জুয়েল শিকদার 

কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

ক্যারিবীয়দের সরাসরি বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত, পথের কাঁটা বাংলাদেশ

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

ইন্টারনেট স্লো করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের, অনুমতি দেন শেখ হাসিনা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় যারা

ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারা বাগান ঘুরে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর-বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ জন

সমুদ্রের নীল জলরাশির পাশেই বাঁশখালীবাসীর সমাবেশে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী