
রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’। শুক্রবার দিনগত রাত ১টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শনিবার (২০ জুন) সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান।
গত ১২ জুন দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের উল্টো দিকে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন পলাশ। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত রোববার রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলায় জিসান আহমেদ মন্টি নামে একজনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে, যাকে শীর্ষ সন্ত্রাসী বলা হয়েছে এজাহারে।
এছাড়া বাদশা ওরফে গুজা বাদশা (৪৮), গলদা বাদশা (৪৫), শান্ত ওরফে পিচ্চি শান্ত (২৮), সোলাইমান খন্দকার (৪৫), ফারুক ওরফে চাচা ফারুক (৩৫), হেবেল (৩৫), মোল্লা জনি (৪২), ফিরোজ মোহাম্মদ মোল্লা (৪৫), পিচ্চি আলামিন ওরফে তোতলা আলামিন এবং সজীবের (৩৫) নাম রয়েছে আসামির তালিকায়। পাশাপাশি আরও সাত-আটজন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছেন।
মামলার পর গত শনিবার রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে ইমাম হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর সোমবার মো. মারুফ সুলতান ওরফে ফেরদৌস নামে আরেকজনকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করে র্যাব। ঘটনার দিন ফেরদৌস ঘটনাস্থল ও আশপাশে অবস্থান করছিলেন বলে দাবি করেছিল পুলিশ।
আমার বার্তা/এমই

