
চলতি বছরের ২৬ ফেব্রয়ারী যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ডিজিএম এইচ আর মোহাম্মদ হাসান ইমামের স্বাক্ষরে তিন সিবিএ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় । যদিও এই চিঠিতে নিয়ম মাফিক স্বাক্ষর দেয়ার কথা জিএম এইচ আর মো: মাসুদুল ইসলামের। কিন্তু কৌশলে তিনি তার জুনিয়র দিয়ে বরখাস্ত পত্রে স্বাক্ষর করায়। অভিযোগ উঠেছে বরাবরই এই কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ সিবিএ নেতাদের পক্ষে সরাসরি সহযোগিতা করে থাকেন। এদিকে এই তিন সিবিএ নেতার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে আমার বার্তায় । গঠিত হয়েছে এদের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত কমিটিও। বরখাস্তকৃত তিন সিবিএ নেতাদের একজন আবুল হোসেন। তিনি যমুনা অয়েল লেবার ইউনিয়নের সভাপতি ও নিষিদ্ধ সংগঠন জাতীয় শ্রমিকলীগ চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক। সাময়িক বরখাস্তকৃত সিবিএ এই নেতাকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে ২১ জুলাই হতে ৯ আগষ্ট ২০২৫ পর্যন্ত বিশেষাধিকার ছুটি ভোগ করেন। এরপর অনুপস্থিত,প্রাপ্ত তথ্য মতে কোতোয়ালী থানার জি আর মামলা নাম্বার ৪১৫/২০২৫ আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করে ২১ জুলাই চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজেষ্টেটের আদালতে প্রেরন করে। পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করে। এমতাবস্থায় সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। অনুরুপ যমুনা ওয়েলের অপর সিবিএ নেতা ও চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা এয়াকুবের বেলায়। এই সিবিএ নেতার বরখাস্তের চিঠিতে বলা হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১২ জানুয়ারী ২০২৬ পর্যন্ত ছুটি ভোগ করেছে, এর পর অনুপস্থিত। প্রাপ্ত তথ্যমতে চান্দাগাও থামায় একটি মামলায় তাকে ১৩ ডিসেম্বর গ্রেফতার হয়ে, ১৪ ডিসেম্বরে আদালতের মাধ্যমে জেল খানায় প্রেরন করেছে ৷ এমতবস্থায় তাকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয় । মজার বিষয় হলো এই দুই সিবিএ নেতা যেদিন গ্রেফতার হলেন, এর পরের দিন থেকেই ছুটি মন্জুর হলো কিভাবে? তাছাড়া পুলিশ হেফাজতে থেকে তারা ছুটির আবেদনই বা করলো কিভাবে? অভিযোগ উঠেছে মাসুদুল ইসলাম নিজেই এদের স্বাক্ষর দিয়ে ছুটির আবেদন করে এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই তা মন্জুর করেন৷যদিও এই দুই সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে মামলা থাকার কথা বলা হয়েছে একটি করে, বাস্তবে এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা আছে নুন্যতম চারটি করে।
এদিকে দুজনেই ইতিমধ্যে জেল হাজত থেকে জামিনে বের হন । এরপরই শুরু হয়েছে এই দুই সিবিএ নেতার জোরঝাপ। বিশেষ করে ১৬ মার্চ জেল হাজত থেকে চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা ও যমুনা অয়েল কোম্পানী লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ এয়াকুবের বের হওয়ার পর থেকেই তার দৌরাত্ম্য অনেকটা বেড়ে গেছে । অভিযোগ উঠেছে নিজের সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের জন্য যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষকে চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে । তার চাপে সেই অনুযায়ী কাজ করার অভিযোগ উঠেছে যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে । ২৩ মার্চ যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বরাবর সাময়িক বরখাস্তের প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করে এই সিবিএ নেতা মুহাম্মদ এয়াকুব৷ এর প্রেক্ষিতে ২৯ মার্চ হাসান ইমাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এয়াকুবকে তার বিরুদ্ধে যেসকল অভিযোগ তোলা হয়েছে তা জবাব দিতে বলা হয়েছে আগামী দশ কার্য দিবসের মধ্যে। শোনা যাচ্ছে এয়াকুবের জবাব দেয়ার পরই তার সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রেখেছে যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষ। যদিও প্রতিষ্ঠানটির এমডি প্রকৌশলী আমির মাসুদ আমার বার্তাকে জানিয়েছেন সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী এয়াকুবকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি যদি প্রত্যাহার করা হয় তাহলে সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ীই তা করা হবে৷ এদিকে এয়াকুবকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
এয়াকুবের অতীত ইতিহাস
বাবা আবুল কাশেম ছিলেন যমুনা অয়েল কোম্পানির অফিস সহায়ক। তার মৃত্যুর পর চাকরী পায় এয়াকুব। শুরুটা ১৯৯৪ সাল, দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে অস্থায়ী পদে যমুনা অয়েল কোম্পানিতে চাকরি জীবন শুরু হয় মুহাম্মদ এয়াকুবের। তিন বছরের মাথায় ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাইপিষ্ট পদে তার চাকরি স্থায়ী হয়। পদ মর্যাদা তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। কর্মস্থান যমুনা অয়েল প্রধান কার্যালয় আগ্রাবাদ চট্টগ্রাম। দীর্ঘ বছরের এই চাকরি জীবনে তার কোন বদলী নাই । অবশ্য একবার বগুড়া বদলী করা হলেও আদালতের আদেশে সেই বদলি আদেশ স্থগিত হয়ে যায়৷ বেতন বর্তমানে সর্বসাকুল্যে প্রায় ৩৪ হাজার টাকা, তবে মালিক হয়েছে শত কোটি টাকার । দামী গাড়ি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, ব্যাংক ব্যালেন্সে সবকিছুই হয়েছে এই চাকরি জীবনে। ২০১৪ সালের ৯ জুন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তৎকালীন সচিব দীপক চক্রবর্তীর স্বাক্ষরিত তার জ্ঞাত আয় বহি ভুত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছিল সেবছরই ২৪ জুন পর্যন্ত। তবে সেই তদন্ত কমিটির তদন্ত রিপোর্ট অদ্যবধি আলোর মুখ দেখেনি । একই অভিযোগে ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর বিপিসি আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল এই সিবিএ নেতা মুহাম্মদ এয়াকুবের বিরুদ্ধে৷ এবারও সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছেিল ৩০ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত, কিন্তু এবারও তা ফাইল চাপা পড়ে আছে ।
গত টানা সাড়ে ষোল বছর ধরে সিবিএ নেতা মুহাম্মদ এয়াকুবের নেতৃত্বেই চলছে যমুনা ওয়েলের যতসব অপকর্ম।একদিকে চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় শ্রমিকলীগের নেতা অন্যদিকে যমুনা অয়েল কোম্পানির লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক। । জাতীয় শ্রমিকলীগের অন্তর্ভুক্ত এই সিবিএ সংগঠনটির ভোটার বিহীন তিনি তিন টার্মের সাধারণ সম্পাদকও বটে । এছাড়া গ্যাস এন্ড অয়েলস ফেডারেশনের মহাসচিবেরও দায়িত্ব সামলিয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পুরোটা সময়ে এই সিবিএ নেতা মুহাম্মদ এয়াকুবের কথাই চলছে প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম । বর্তমানেও তার প্রভাব একটু কমেনি। বলা চলে তার মুখের কথাই হলো প্রতিষ্ঠানটির অঘোষিত আইন। তার বাইরে গিয়ে খোদ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি । দীর্ঘ সাড়ে ষোল বছরে, সকল কর্মকর্তা / কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি, ক্যাজুয়াল ও কন্ট্রাক্টর ক্যাজুয়েল নিয়োগ , কোম্পানির মেডিকেল শাখার ঔষধ ক্রয়, টেন্ডার , ক্যান্টিনের বাজার, অয়েল ট্যাংকার, ট্যাংকলরী সব কিছুরই নিয়ন্ত্রণ হয়েছে তার ঈশারায় । এসব ক্ষেত্রে মুহাম্মদ এয়াকুবকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দেয়া ছাড়া নুন্যতম কোনো সিদ্ধান্তও নেয়ার ক্ষমতা ছিলনা যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষের। পাশাপাশি ফার্নেস অযেল, বিটুমিন ও জালানি তেল চুরির সিন্ডিকেটতো ছিল তার নিজস্ব তত্বাবধানেই। দেশের সবকটি যমুনা ওয়েলের ডিপোগুলো নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাকরি দেয়া হয়েছে মুহাম্মদ এয়াকুবের নুন্যতম বিশজন আত্মীয়কে। এদের তালিকায় রয়েছে আপন ছোট ভাই পারবতীপুর ডিপোর অপারেটর কাজী আইয়ুব, চাচাতো ভাইদের মধ্যে পতেঙ্গা ডিপাের অপারেটর কাজী মো: সাদেক, আগ্রাবাদ অফিসের সহকারী কাজী কামরুল, পিয়ন কাজী খোরশেদ, নেজাম উদ্দিন ও চাঁদপুর ডিপোর অপারেটর মো, সায়েম। ফুফাতো ভাইদের তালিকায় রয়েছে আগ্রাবাদ অফিসের সকারী সৈয়দ মো: সিরাজ ও পতেঙ্গা ডিপোর সিকিউরিটি মো: আরিফ। ভাগিনাদের তালিকায় আছে সিলেট ডিপোর অপারেটর কাজী মোজাম্মেল, আগ্রাবাদ অফিসে সহকারী কাজী মুয়াদ, পতেঙ্গা অফিসের অপারেটর মো : হানিফ । খালাতো ভাইদের তালিকায় শ্রীমঙ্গল ডিপোর অপারেটর খোরশেদ আলম মিন্টু , ও মাহবুল আলম । শ্যালকের তালিকায় আছে চাঁদপুর ডিপোর অপারেটর মাইন উদ্দিন আহমেদ ছোটন । ভাতিজার তালিকায় আছে আগ্রাবাদ অফিসের ড্রাইভার মো: মাসুদ। ভগ্নিপতি ফারুক চাকরি করছে ফতুল্লা ডিপোর অপারেটর পদে। দৌলতপুর ডিপোর অপারেটর মো : দেলোয়ার হলেন তার নিকটতম আত্মীয় । এদের মধ্যে আগ্রাবাদ অফিসের পিয়ন ও অফিস সহকারী কাজী খোরশেদ ও কাজী কামরুল ছাড়া সকলেই অস্থায়ী ভিত্তিতে চাকরি করছে।
গতবছর জুলাই মাসে এয়াকুবের সহোদর পার্বতীপুর ডিপোর অপারেটর কাজী আইয়ুবের নেতৃত্বে ছয় কোটি কোটি টাকার তেল চুরির অভিযোগ উঠে । সেই ঘটনায় বিপিসি ও যমুনা তদন্তে নামে। গঠন করা হয় যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ৷ তদন্তে কাজী আইয়ুবের বিরুদ্ধে তেল চুরির ঘটনার সততাও পেয়েছে। কিছুই হয়নি আইয়ুবের বিরুদ্ধে, বড় ভাই এয়াকুবের ক্ষমতার দাপটে সব কিছু ধামাচাপা পড়ে গেছে । তবে সম্প্রতি তাকে প্রধান কার্যালয়ে বদলী করা হয়েছে।
তেল চুরির পাশাপাশি চাকরি দেয়ার নাম করে ২৯ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে সিবিএ নেতা মুহাম্মদ এয়াকুবের বিরুদ্ধে । যমুনা সুত্রে জানা গেছে ২০১৯ ঠিকাদারের শ্রমিক আবদুল নুর ও হাসান ফয়সালের সহযোগিতায় চাকরি দেয়ার নাম করে আট জনের কাছ থেকে উল্লেখিত পরিমাণ টাকা নিয়েছে মুহাম্মদ এয়াকুব৷ বিভিন্ন কুরিয়ার ও বিকাশের মাধ্যমে টাকা গুলো নেয়া হয় বলে জানা গেছে৷ টাকা গুলো লেনদেন করেছে বাঘাবাড়ি যমুনা অয়েল ডিপোতে কর্মরত তোতা মিয়া। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে উল্টো তোতা মিয়াকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে।। এব্যাপারে ইয়াকুব, আবদুল নুর ও হাসান বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১৯লা জুলাই সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানায় তোতা মিয়া জিডি করে। জিডি নং ৮৬৯। পরবর্তীতে তোতা মিয়াকে যমুনা অয়েলের প্রধান কার্যালয়ে ডেকে এনে জোর প্রয়োগ করে এয়াকুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়। চাকরির নামে টাকা আত্মসাতের ঘটনা ছাড়াও যমুনা ওয়েলফেয়ার ফান্ডের বারো লাখ টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে মুহাম্মদ এয়াকুবের বিরুদ্ধে । নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক যমুনা ওয়েলের জনৈক জৈষ্ঠ সহকারী দৈনিক আমার বার্তাকে বলেন প্রতিষ্ঠানটিতে এয়াকুব এতটাই প্রভাবশালী তার কথা মতো ২০২৩ সালে যমুনা অয়েল কর্তপক্ষ তাদের বেতন থেকে টাকা কেটে নিয়েছে । ওয়েল ফেয়ার ফান্ড থেকে টাকা ফেরত দেবে বলে প্রত্যেক কর্মচারীর বেতন থেকে এক হাজার করে টাকা কেটে নিয়েছে৷ অদ্যবধি টাকা ফেরত দেয়া হয়নি । টাকা নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে যমুনা ওয়েলের একাধিক কর্মকর্তাও৷
অনুসন্ধানে জানা গেছে যমুনা অয়েলে চাকরি করে হঠাৎ জমিদার হয়ে উঠে মুহাম্মদ এয়াকুব ।চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা লালখান বাজার ৩৩ হাইলেভেল রোডে ( মানারাত ইদ্রিস প্যালেস) এ চার হাজার তিশশ বর্গফুটের ফ্ল্যাটটির মালিক মুহাম্মদ এয়াকুব৷ পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি সেখানেই বসবাস করছে। বর্তমানে ফ্ল্যাটটির বাজার মুল্য সাড়ে তিন কোটি টাকা৷ আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ছয় কাঠা জায়গা। সেখানে টিনশেড করে ঘর ভাড়া দিয়েছে৷ এই জমির বর্তমান মুল্য প্রায় দশ কোটি টাকা । এছাড়া পতেঙ্গার ডেইল পাড়ায় জমি, গ্রামের বাড়িতে কিনেছে ভিটে, পুকুর ও ঘানি জমি৷ নিজে চলার জন্য আছে আধুনিক মডেলের NoHA মাইক্রোবাস৷
এদিকে ২০২২ সালের ১৫'সেপ্টেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম -১ সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা জুয়েল মজুমদারের কার্যালয়ে মুহাম্মদ এয়াকুবের জ্ঞাত আয় বহি ভুত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে গণশুনানি হয়েছে । প্রাথমিক ভাবে সততাও পেয়েছে দুদক৷ চলতি বছরের ৮ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এ কেএম মর্তুজা আলী সাগর স্বাক্ষরিত ম্যানেজার ( ডিপো) ইনচার্জ যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডে ফতুল্লা ডিপো, নায়রায়নগন্জকে চিঠি পাঠানো হয়েছে । এতে বলা হয়েছে অনুসন্ধানের স্বার্থে প্রয়োজনীয় রেকর্ড পত্র সরবরাহ করন প্রসঙ্গে, মোহাম্মদ এয়াকুবের ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত কপি ( নাম, বর্তমান ঠিকানা, যোগাযোগের নাম্বার, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি প্রেরনের জন্য) ।
আমার বার্তা/এমই

